আজ : শুক্রবার, ১৭ই আগস্ট, ২০১৭ ইং | ৩রা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

অস্ত্র মামলায় একজনের ১৭ বছর সাজা তদন্ত কর্মকর্তার গাফলতির বিভাগীয় তদন্তের আদেশ

সময় : ৬:২৪ অপরাহ্ণ , তারিখ : ১১ আগস্ট, ২০১৭


নিজস্ব প্রতিবেদকঃঅস্ত্র রাখার অপরাধে বরিশাল নগরীর তাজকাঠি এলাকার আব্দুস ছত্তার ওরফে ছতুকে ১৭ বছর কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে আদালত।বৃহস্পতিবার ৩য় যুগ্ম দায়রা জজ এস এম আশিকুর রহমান বিচারাধীন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আসামীর উপস্থিতিতে এ সাজা দেন।একই সাথে মামলা হতে একজনকে অব্যাহতি দেয়ায় তদন্তে গাফলতির বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এস আই আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করে ফলাফল জানানোর জন্য পুলিশ কমিশনারকে আদেশ দেয়া হয়।আদালত সূত্র জানায়,ছত্তার ও তার পুত্র জসিম হাওলাদারের বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ২৮ জুন কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন র্যাব ৮ ডিএডি আলমগীর হোসেন।অভিযোগে তিনি বলেন, অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করার খবর পেয়ে ছত্তারের বাসায় অভিযান চালানো হয়।দৌড়ে পালানোর সময় ছত্তার ও জসিমকে আটক করে।জিজ্ঞাসাবাদে জসিমের দেখানো মতে ছত্তারের শোবার ঘরে খাটের তোষকের নিচ হতে প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখা ৬ বোর বিশিষ্ট একটি রিভলভার, দেশীয় তৈরি একটি পাইপগান, একে ফোরটি সেভেনের ৫ রাউন্ড কার্তুজ ও এল জি এর এক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে।এভাবে মামলা দায়েরের ১৯ দিন পর কোতয়ালী মডেল থানার এস আই আনিছুর রহমান তদন্ত শেষে চার্জশিট জমা দেন।চার্জশিটে ছত্তারকে অভিযুক্ত করে জসিমকে অব্যাহতির সুপারিশ জানায়।ট্রাইব্যুনাল ছত্তারের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে ১৩ জনের মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।সাক্ষী প্রমাণে ট্রাইব্যুনাল জানতে পারে অস্ত্র হেফাজতে রেখে ছত্তার শাস্থিযোগ্য অপরাধ করেছে।অপরদিকে জসিমের দেখানো মতে অস্ত্র উদ্ধার হলেও তদন্ত কর্মকর্তা কর্তব্যে গাফলতির কারনে জসিমকে মামলায় অভিযুক্ত না করে অব্যাহতি দেয়।এতে ট্রাইব্যুনাল ছত্তারকে ১৯(ক) ধারায় ১০ বছর কারাদণ্ড ও ১৯(চ) ধারায় ৭ বছর কারাদণ্ড দেন এবং তদন্ত কর্মকর্তার গাফলতির ব্যাপারে তদন্ত শেষে দুইমাসের মধ্যে ফলাফল জানাতে বিএমপি মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে আদেশে দেন।রায় শেষে আসামী ছত্তারকে সাজাভোগে পুলিশ প্রহরায় বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

Top