আজ : শনিবার, ২৭শে মে, ২০১৭ ইং | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

এরশাদ নয়, খালেদাকে ছুঁড়ে ফেলেছে জনগণ : বাবলা

সময় : ৫:৪৫ অপরাহ্ণ , তারিখ : ২০ মে, ২০১৭


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ করে জাতীয় পার্টির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ও ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা বলেছেন, আমাদের নেতা এরশাদকে নয়, জনগণ আপনার নেত্রী খালেদা জিয়াকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে।

শনিবার সকালে রাজধানীর কদমতলিতে একটি সড়কের উদ্বোধন ও সোলার স্ট্রিট লাইটের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ করে বাবলা বলেন, আমরা কোনো নেতার নামে সমালোচনা করি না, তবে ইদানিং দেখছি আপনিসহ আপনার দলের নেতারা অতি মাত্রায় আমাদের নেতাকে নিয়ে নেতিবাচক কথা বলছেন। ভুলে যাবেন না, আপনার পিতা এরশাদের আশীর্বাদে মন্ত্রী হয়েছেন। আপনার নেত্রী বেগম জিয়া আর তারেক রহমান আমার নেতা এরশাদের আশীর্বাদ পেতে মরিয়া ছিলেন। তাই আপনার মুখে এরশাদের সমালোচনা শোভা পায় না।

কদমতলি থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি শামসুজ্জামান কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা সুজন দে, শেখ মাসুক রহমান, শ্যামপুর থানা জাতীয় পার্টির সভাপতি কাওসার আহমেদ, কদমতলি থানা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল ইসলাম সরকার, ছাত্র সমাজ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহ ইমরান রিপন।

শনিবার একটি জাতীয় দৈনিকে স্বাক্ষাৎকারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ যতই চেষ্টা করুক এরশাদ কখনো বিকল্প শক্তি হতে পারবে না। আওয়ামী লীগ এমন একজন লোককে নিয়ে ঐক্য করেছে, যাকে দেশের জনগণ ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন বক্তব্যে তীব্র প্রতিবাদ জানান ঢাকা-৪ আসনের এমপি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা।

তিনি বলেন, এরশাদের আশীর্বাদ নিয়ে দুই বড় দল বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। এরশাদ হলেন দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠ সংস্কারক। দুই বছরের ঘুণে ধরা ব্রিটিশ পদ্ধতি ভেঙ্গে এরশাদ উপজেলা পদ্ধতি চালু করে সাধারণ মানুষের সেবা নিশ্চিত করেন। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করেন। ঢাকাকে তিলোত্তমা নগরীতে পরিণত করেন। মির্জা ফখরুল সাহেবরা এই সব দেখেন না। এরশাদের জনপ্রিয়তা দেখে তারা আবোল তাবোল বলছেন।

ঈদের পর জাতীয় পার্টি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে জানিয়ে বাবলা বলেন, ইশতেহারে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ আইন প্রণয়নের বিষয়টি উল্লেখ থাকবে। এছাড়া নির্বাচনী ব্যবস্থার আমূল সংস্কার, প্রাদেশিক ব্যাবস্থা প্রবর্তনসহ ক্ষমতায় গেলে মানুষের কল্যাণে যা যা করা প্রয়োজন সে বিষয় মাথায় রেখেই ইশতেহার প্রণয়নের কাজ চলছে।

Top