আজ : সোমবার, ২০শে আগস্ট, ২০১৭ ইং | ৬ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যা মামলার ১ বছর

সময় : ২:৫৬ অপরাহ্ণ , তারিখ : ২১ মার্চ, ২০১৭


অনিরুদ্ধ রেজা,কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের আলোচিত হত্যাকান্ড ধর্মান্তরিত খৃষ্টান ও মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীর হত্যার ১ বছর আজ। ২০১৬ সালের ২২

মার্চ কুড়িগ্রাম সদরের গাড়িয়াল পাড়া এলাকায় সকালে প্রাত

ভ্রমনের সময় নিজ বাড়ীর সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ধর্মান্তরিত

খৃষ্টান মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীকে। এসময় হত্যাকারীরা ককটেল

ফাটিয়ে মোটর সাইকেলযোগে পালিয়ে যায়। হত্যাকান্ডের ১ বছর

পেরিয়ে গেলেও বিচারের অগ্রগতি সম্পর্কে কিছুই জানে না

তার পরিবার।

পুলিশ সুত্র জানায়, গত বছরের ৭ নভেম্বর কুড়িগ্রামে ধর্মান্তরিত

খৃষ্টান মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যা মামলায় ১০ জেএমবি

সদস্যকে অভিযুক্ত করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে

চার্জশীট দাখিল করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই এম এ ফারুক চীফ

জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে চার্জশীট জমা দেন।

আসামীরা হলেন জেএমবি সদস্য খাইরুল ইসলাম (২২), মোঃ

শফিউল আলম (১৯), মুহাঃ নজরুল ইসলাম (২৬), মোঃ জাহাঙ্গীর (২৫),

সাদ্দাম হোসেন ( ২০), মোঃ রিরাজুল ইসলাম (৩০), মোঃ গোলাম

রব্বানী (২২), মোঃ হাসান ফিরোজ (২২), মোঃ আবু নাসির (২০)

ও মোঃ মাহাবুব হাসান মিলন (২৮)।

মামলার ১০ আসামীর মধ্যে ৪ জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে

পুলিশ। ৪ আসামী ইতিপুর্বে হোলি আর্টিজানে খাইরুল

ইসলাম, শোলাকীয়ার ঘটনার আসামী হিসেবে নান্দাইলে মোঃ

শফিউল আলম এবং রাজশাহীতে মুহাঃ নজরুল ইসলাম পুলিশের গুলিতে

নিহত হয়। সর্বশেষ ঢাকার বেরিবাঁধ এলাকায় পুলিশের বন্দুক

যুদ্ধে নিহত হয় সাদ্দাম। বাকী ২ আসামী এখনও পলাতক রয়েছে।

আটককৃতরা হলেন, মোঃ মাহাবুব হাসান (২৮), মোঃ আবু

নাসির (২০), মোঃ হাসান ফিরোজ (২২) ও মোঃ গোলাম রব্বানী

(২২)।

নিহত হোসেন আলীর পুত্র রাহুল আমিন আজাদ জানান, ১ বছর

আগে আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী নৃশংসভাবে

হত্যাকান্ডের শিকার হলেও মামলার অগ্রগতি সর্ম্পকে আমরা

কিছুই জানি না। শুধু লোক মুখে শুনেছি কিছু আসামীকে

পুলিশ গ্রেফতার করেছে। কিছু আসামী মারা গেছে এবং কিছু

আসামী পলাতক রয়েছে। যাই হোক না কেন আমি আমার বাবার

হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এব্যাপারে কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস

সোবহান জানান, হোসেন আলী হত্যা মামলার এজাহার ভুক্ত ১০

আসামীর মধ্যে ইতিমধ্যে ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৪

আসামী বিভিন্ন সময় বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছে। তবে পলাতক ২

আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Top