আজ : মঙ্গলবার, ২৩শে মে, ২০১৭ ইং | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

খালেদার কার্যালয়ে তল্লাশির প্রতিবাদে মহিলা দলের বিক্ষোভ

সময় : ৪:৪৪ অপরাহ্ণ , তারিখ : ২০ মে, ২০১৭


ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে পুলিশের তল্লাশির প্রতিবাদে গুলশানে বিক্ষোভ করেছে বিএনপির নারী বিষয়ক সংগঠন মহিলা দল। সংগঠনের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা কার্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে নানা স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় সড়কটিকে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ আসলে আফরোজা আব্বাস নেতা-কর্মীদের সরিয়ে দেন।

শনিবার সকালে খালেদার গুলশান কার্যালয়ে তল্লাশির খবর পেয়ে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা গুলশান ২ এর ৬৮ নম্বর সড়কের বাড়িটির দিকে যান। এদের মধ্যে ছিলেন মহিলা দলের জনা বিশেষ কর্মীও।

সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত পুলিশের তল্লাশি চলে। সেখানে রাষ্ট্রবিরোধী নথিপত্র থাকতে পারে-এমন সন্দেহে চালানো এই অভিযানে অবশ্য সন্দেহজনক কিছুই পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থল ছাড়ার পর বিএনপির নেতারা গণমাধ্যমের কাছে প্রতিক্রিয়া জানান।

বেলা ১১টার পর সেখানে অবস্থান করা মহিলা দলের কর্মীরা সরকারের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে তারা ৬৮ নম্বর সড়কে বসে পড়েন। এই সড়কটি ধরে চলার চেষ্টা করা গাড়িগুলোকেও তারা আটকে দেন। এক পর্যায়ে সড়কের দুই ধারেই গাড়ির জটলা তৈরি হয়। এ সময় মহিলা দলের কর্মীদের পাশাপাশি অবস্থান নেন বিএনপির কয়েকজন পুরুষ কর্মীও।

১৫ মি‌নিট পর পু‌লি‌শের এক‌টি টহল গা‌ড়ি ঘটনাস্থলে আসে। এই গাড়ি দেখে আফরোজা আব্বাস তার নেতা-কর্মীদেরকে নিয়ে সড়কের দখল ছেড়ে দিয়ে খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে জড়ো হয়ে তারা একটি মিছিলও বের করেন। সংক্ষিপ্ত এই মিছিলের পর তারা সবাই এলাকা ছেড়ে চলে যান।

আফরোজা আব্বাস গণমাধ্যমকর্মীদেরকে বলেন, ‘আজ আমাদের কোনো গণ স্বা‌ধীনতা নেই, যখন তখন আমা‌দের কার্যাল‌য়ে অভিযান চালানো হয়। আজ‌কের ঘটনায় আমা‌দের‌কে আগে থেকে থে‌কে কিছু জানা‌নো হয়নি।’

এদিকে খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে তল্লাশির প্রতিবাদে রবিবার সারাদেশে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বিএনপির যুব বিষয়ক সংগঠন যুবদল।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারাও এই তল্লাশির নিন্দা জানিয়েছেন। তল্লাশির নামে পুলিশ কার্যালয়ের ভেতর কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য রেখে এসেছে কি না সে বিষয়ে দুশ্চিন্তার কথাও বলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এই ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত চেয়েছেন।

Top