আজ : সোমবার, ২৪শে জুলাই, ২০১৭ ইং | ৯ই শ্রাবণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

গাছ কেটে বনসাই রোপনের দায় সিটি করপোরেশনের নয়

সময় : ৬:০৬ অপরাহ্ণ , তারিখ : ২১ মে, ২০১৭


ঢাকা: বিমানবন্দর সড়কে আসল গাছ কেটে বামন গাছ বা বনসাই রোপনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কোনো দায় নেই বলে জানিয়েছেন মেয়র আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, এই সড়কের যাবতীয় উন্নয়ন, আধুনিকায়ক, সৌন্দর্যবর্ধনের দায়িত্ব সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের। রাস্তাটি পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা ছাড়া আর কোনো দায়িত্ব ডিএনসিসি পালন করে না।

শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে মেয়র আনিসুল এ কথা লেখেন। “বিমানবন্দর সড়কে ‘আসল’ গাছের জায়গায় ‘নকল’ গাছ” শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এতে বলা হয়, ভিআইপি এ সড়কের ধারের কৃষ্ণচূড়া, রাঁধাচূড়া এবং অন্যান্য নানান জাতের গাছ কেটে বিদেশ থেকে আমদানি করা বনসাই গাছ লাগানো হয়েছে। বড় বড় দেশি গাছ কেটে আমদানি করা ১২-১৫ ফুট উচ্চতার বনসাই গাছ লাগানোর ফলে এ প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরও।

সম্প্রতি এয়ারপোর্ট থেকে বনানী ওভারপাস পর্যন্ত সড়কটির সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শুরু হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে গত একমাস ধরে চীন থেকে আমদানি করা বনসাই গাছ লাগানো হচ্ছে। এরমধ্যেই প্রায় ৯৬টি গাছ লাগানো হয়ে গেছে। এই সড়কটিতে এমন আরও এক হাজার বনসাই গাছ লাগানো হবে। এয়ারপোর্টের বিপরীত দিকের দেশি গাছগুলো এর মধ্যেই কেটে ফেলা হয়েছে।

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই উদ্যোগের সমালোচনা হচ্ছে। কেন গাছ কেটে এই ধরনের বনসাই লাগাতে হবে-এই প্রশ্ন উঠেছে জোরেশোরে। এর মধ্যেই মেয়র আনিসুল তার বক্তব্য দিলেন।

মেয়র লেখেন, ‘এয়ারপোর্ট রোডের ফুটপাথ ধরে সম্প্রতি যে সৌন্দর্যবর্ধন আপনারা দেখছেন তা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা বিভিন্ন মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি। আপনাদের অবগতির জন্য বলছি, এই কাজে ডিএনসিসির কোনো যুক্ততা নেই।’

আনিসুল হক আরও লেখেন, ‘এই রাস্তার যাবতীয় উন্নয়ন, আধুনিকায়ন, সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য কোনো গাছ কেনা বা আমদানির সঙ্গেও ডিএনসিসি জড়িত নয়। আমার জানামতে এই কাজে সরকারের একটি টাকাও খরচ করতে হয়নি। এর ব্যয়ভার সম্পূর্ণ বহন করছে ‘ভিনাইল ওয়ার্ল্ড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এয়ারপোর্ট রোডে তারা কোনো বিজ্ঞাপন লাগাতে চাইলে ডিএনসিসির অনুমোদন নিয়ে নেবে।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন তার ফেসবুক পেজে মেয়রের এই বক্তব্যটি প্রকাশ করেছে।

Top