আজ : শুক্রবার, ২৩শে জুন, ২০১৭ ইং | ৯ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে আগামীকাল মালয়েশিয়া যাচ্ছেন ১০২ জন

সময় : ১২:০৩ অপরাহ্ণ , তারিখ : ০৯ মার্চ, ২০১৭


ঢাকা : দীর্ঘ বিরতির পর মালয়েশিয়া আবারো বিদেশী কর্মী নেওয়া শুরু করেছে। ‘জিটুজি প্লাস’ পদ্ধতিতে বাংলাদেশের ১০২ জন শ্রমিকের প্রথম গ্রুপটি আগামীকাল মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন।
আগামীকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিজি-০৮৬ ফ্লাইটে ১০২ কর্মী মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি জার্নালিস্টস’ ফোরাম অন মাইগ্রেশন (জেএফএম) নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাতকালে এ কথা জানান।
সার্ভিস সেক্টরের আওতায় কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে ‘কার্গো লাডার’ পদে নিয়োগ পেয়েছেন এসব বাংলাদেশী শ্রমিক। মার্চের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে আরো ৩শ’ কর্মীর ওই দেশে যাওয়ার কথা রয়েছে বলে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) কর্মকর্তারা জানান। এসব শ্রমিক বিএমইটি থেকে বহির্গমনের স্মার্টকার্ডও পেয়েছেন বলে সূত্র জানায়।
বিএমইটি টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) গতকাল এ কর্মীদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এতে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা থেকে শুরু করে মালয়েশিয়ায় নতুন কর্মস্থল সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা দেয়া হয়। এ গ্রুপে যাওয়া প্রত্যেককর্মী মাসে ১ হাজার ৫শ’ মালয়েশীয় রিংগিত, যা বাংলাদেশী টাকায় ২৭ হাজার টাকা করে বেতন পাবেন।
জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন জানান, বিএমইটি থেকে এরই মধ্যে নিয়োগের অনুমতি পাওয়া গেছে। প্রথম পর্যায়ে প্লান্টেশন, ফ্যাক্টরি ও সার্ভিস সেক্টরের জন্য কর্মী পাঠানো হচ্ছে। এরই মধ্যে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাওয়া কর্মীর জন্য তিন বছর কাজের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে কর্মীরা নবায়নের মাধ্যমে ও নিয়োগকর্তা চাইলে ১০ বছর পর্যন্ত কাজ করতে পারবেন।
২০০৯ সাল থেকে অন্যতম শ্রমবাজার মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া বন্ধ করে।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০১৩ সালে জিটুজি (গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট) পদ্ধতিতে আবারো বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে শুরু করে দেশটি। সে প্রক্রিয়া যথেষ্ট কার্যকর না হওয়ায় পরে মালয়েশিয়া সরকার পাঁচটি খাতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের সমন্বয়ে ‘জিটুজি প্লাস’ পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে রাজি হয়। দুই দেশের মধ্যে এ বিষয়ে চুক্তি হয় গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু চুক্তির পরদিনই মালয়েশিয়া সরকার বিদেশী কর্মী নেয়া বন্ধ ঘোষণা করে। কয়েক মাস আগে বিদেশী কর্মী না নেয়ার ঘোষণাটি প্রত্যাহারের পর জিটুজি প্লাস চুক্তির আলোকে কর্মী নিয়োগের বিষয়টি আবার সামনে আসে।

Top