আজ : বুধবার, ২৩শে আগস্ট, ২০১৭ ইং | ৮ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি মহাপরিকল্পনা জাতীয় স্বার্থবিরোধী: আনু মুহাম্মদ

সময় : ১২:৩৮ অপরাহ্ণ , তারিখ : ১১ মার্চ, ২০১৭


তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ‘দেশের গ্যাসখাত জাতীয় মালিকানায় বিকাশ করলে সুন্দরবিনাশী প্রকল্প, দেশধ্বংসী রূপপুর প্রকল্প, এলএনজি কোনোকিছুই দরকার হবে না। সরকারের নীতিমালা জনগণ বা দেশের স্বার্থ চিন্তা করে নয়, বরং কতিপয় দেশি ও বিদেশি ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর স্বার্থ পরিকল্পনাকে গ্রহণযোগ্য করবার জন্য দাঁড় করানো হচ্ছে।’
তিনি বলেন, বাপেক্সকে পঙ্গু করে এখানে শেভরন, কেয়ার্ন, শেল, ইউনাকল, সান্তোস, কনকো ফিলিপস-এর স্বার্থ দেখা হয়েছে। সম্প্রতি চীন, ভারত, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক স্বার্থ উর্ধ্বে রেখে রফতানিমুখি চুক্তিসহ নানা সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। এর ফলে দেশের মানুষ স্থল, জলভাগের গ্যাসের কোন সুবিধাই পাবে না। ২০৪০ নাগাদ দেশের মূল জ্বালানি হিসেবে আমদানিকৃত এলএনজি, এলপিজি এবং কয়লাকে প্রাধান্য দিয়ে জ্বালানি মহাপরিকল্পনা ২০১৬ প্রকাশ করা হয়েছে। যা ভুল তথ্য ও স্ববিরোধিতায় ভরা, জাতীয় স্বার্থবিরোধী।’
তিনি জানান, অচিরেই জাতীয় কমিটি এর বিকল্প মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন করবে।
শনিবার সকালে পল্টনে মুক্তিভবনের প্রগতি সম্মেলন কক্ষে ভূতত্ত্ববিদ, অর্থনীতিবিদ ও প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে ‘বাংলাদেশের গ্যাসসম্পদ, জাতীয় সক্ষমতা ও জ্বালানি খাতে সরকারি নীতি’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর বদরুল ইমাম, ডক্টর এমএম আকাশ, গবেষক নুর মোহাম্মদ, মাহা মির্জা, মাহবুব সুমন এবং সাংবাদিক আরিফুজ্জামান তুহিন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বজলুর রশিদ ফিরোজ, মোশারফ হোসেন নান্নু, জোনায়েদ সাকি, ফখরুদ্দীন কবির আতিক, শহীদুল ইসলাম সবুজ, সুবল সরকার, মাসুদ খান প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ‘চুরি আর লুটপাটকে বৈধতা দেবার জন্য গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে, মহাপরিকল্পনা করা হচ্ছে। দেশের স্বার্থবিরোধী কোনোকিছুই গ্রহণযোগ্য নয়।

Top