আজ : বুধবার, ২৩শে আগস্ট, ২০১৭ ইং | ৮ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আবাসন প্রকল্পের শুরু

সময় : ৭:১৪ অপরাহ্ণ , তারিখ : ২০ মে, ২০১৭


স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃঝিনাইদহ জেলা শহরে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের লোকদের জন্য সাইট এন্ড

সার্ভিসেস আবাসিক পল্ট উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবিত সাইট গৃহায়ন

কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আবাসন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া

গেছে।জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ খুলনা ডিভিশন অধীন ঝিনাইদহ জেলা

সদরে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের লোকদের জন্য সাইট এন্ড সার্ভিসেস আবাসিক

প্লট উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য প্রস্তাবিত সাইট গত ০৫/০২/২০১৭ ইং তারিখে

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ খুলনা ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ

মঈনুল হক মোতাইদ ঝিনাইদহ জেলার সদর উপজেলাধীন গয়েশপুর,লক্ষীপুর ও

গোপিনাথপুর মৌজায় প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন পূর্বক

চেয়ারম্যান জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ,সেগুনবাগিচা, ঢাকা বরাবর স্বারক

নং জাগৃহ/নিপ্রখু/২/৭৬/ সাইট নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহনের

পরবর্তী নিদের্শনা দানের জন্য সাইট পরিদর্শন প্রতিবেদন পাঠান।

প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে প্রায় চার

কিলো মিটার দক্ষিন-পশ্চিম দিকে পাগলা কানাই ইউনিয়ন পরিষদের অর্ন্তভুক্ত

এবং পৌর এলাকার বাহিরে অবস্থিত। আবাসিক প্রকল্পের জন্য প্রস্তাবিত

জমির মধ্যে প্রায় ৪ একর জমির উপর পাকা বাড়ীঘর, মুরগীর খামার এবং

বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৩/৪ হাজার গাছও রয়েছে। বাস্ত ভিটার জমির মূল

অনেক বেশি এবং বাড়ীঘর,গাছপালার ক্ষতিপুরন বাবদ দ্বিগুন অংকের অর্থ ব্যয়

হবে। ফলে প্রকল্পের জমির বিক্রয় মূল বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া প্রকল্প এলাকা

পৌরসভার বাহিরে হওয়ায় সেখানে বসবাসকারিরা পানি সরবরাহ, রাস্তঘাট

মেরামত সংরক্ষন,রাস্তার বিদ্যুত ইত্যাদি নাগরিক সুবিধাসমূহ হতে বঞ্চিত

হবে। তাই জনগন উক্ত প্রকল্পের জমি বরাদ্দ নেওয়ার জন্য আগ্রহী হবে না।ফলে

প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে এবং কর্তৃপক্ষ ও সরকার আর্থিক ভাবে

ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

সূত্রে জানা গেছে, যশোর সাব-ডিভিশনাল গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সহকারি

প্রকৌশলী দ্বিপক কুমার সহ কতিপয় কর্মকর্তা ব্যক্তি স্বার্থ অর্জনের জন্য

গয়াসপুর মৌজায় ভুমি মালিকদের সাথে যোগসাযসে গয়াসপুর

মৌজায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। গত ৩০/১০/২০১৬ ইং

তারিখে,স্বারক নং-০৫.৪৪.৪৪০০.০০৯.০৯.০০২.১৬ নং স্বারকে জেলা স্থান

নির্বাচন কমিটি,ঝিনাইদহ এক সিদ্ধান্ত সভায় ঝিনাইদহ সদর

উপজেলাধীন গয়েশপুর মৌজায় ১৪.৩৪ একর, গোপিনাথপুর মৌজায় ১.৫০

একর ও লক্ষীকোল মৌজায় ০.৬৬ একর সর্বমোট(১৪.৩৪+১.৫০+০.৬৬)=১৬.৫০

একর জমি স্বল্প ও মধ্যম আয়ের লোকদের জন্য সাইট এন্ড সার্ভিসেস

আবাসিক উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহন প্রস্তাবটি প্রস্তাবিত

স্থানে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার জন্য স্থান নির্বাচন কমিটি

সবৃসম্মতিক্রমে প্রকল্প বাস্থবায়ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্থাবর

সম্পত্তি অধিগ্রহন ম্যানুয়েল,১৯৯৭-এর ২৪নং অনুচ্ছেদ মোতাবেক অতিরিক্ত

জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ঝিনাইদহ সদর

কর্তৃক সরেজমিনে অধিগ্রহনের সম্ভাব্যতা করবেন মর্মে সর্বসম্মত

সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই সিদ্ধান্তের কারনে প্রকল্পটি তার অভিষ্ট লক্ষে

পৌছাতে পারবে না বলে ঝিনাইদহবাসি মনে করেন এবং সরকারের কোটি

কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হবে মর্মে এক লিখিত অভিযোগে জানা যায়।

অপরদিকে ঝিনাইদহ পৌর এলাকার মধ্যে পূর্বে প্রস্তাবিত মৌজায় প্রকল্প

গ্রহন করলে জমির মূল্য সামান্য বেশী হলেও জেলা প্রশাসকের

অফিস,এলজিইডি অফিস,সার্কিট হাউজসহ বিভিন্ন অফিস সংলগ্ন

হওয়ায় জনগন উক্ত এলাকায় আবাসিক প্লট বরাদ্দ নেওয়ার আগ্রহী হবে। এ

বিষয়ে যশোর সাব-ডিভিশনাল গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সহকারি প্রকৌশলী

দ্বিপক কুমার এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাজই এখনো শুরু করতে

পারলাম না তাহলে অনিয়ম করলাম কি ভাবে? এর আগে মহিসাকুন্ডুতে এই

প্রক্লপের কাজ হওয়ার কথা ছিল এবং সেখানে হোক তা কতিপয় লোক

চেয়েছিল কিন্তু তাদের চাওয়া পুরোন না হওয়ায় মুলত তারাই বর্তমান

নির্ধারিত জায়গায় হওয়ার বিভিন্ন ভাবে বিরোধীতা করছে।

Top