আজ : রবিবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৭ ইং | ৫ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

টোকিওর রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতেমাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

সময় : ৩:০৮ অপরাহ্ণ , তারিখ : ০৫ এপ্রিল, ২০১৭


জাপানের ১২ হাজার বাঙালির প্রাণের মেলা পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত হয় টোকিও বৈশাখী মেলা। এই মেলার সাথে জড়িয়ে আছে জাপানের প্রবাসী বাঙালিদের নিবিড়সম্পর্ক। এটা আমাদের ঋতুধর্মী উৎসব। শুধু তাই নয়, এটার সাথে জড়িয়ে আছে বাঙালির হাজার বছরের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য।

গত ২ এপ্রিলবিকেল তিনটা থেকে পাঁচটার মধ্যে টোকিও বৈশাখী মেলা উদযাপন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক শেখ আলীমুজ্জামানের উপস্থিতিতে এবছরমেলা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে জাপানের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আগত সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন সংগঠনসমূহের শতাধিক প্রবাসীর উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্তহয়, টোকিওর কোনো সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে রাষ্ট্রদূত মিসেস রাবাব ফাতিমাকে অংশ নেয়ারসুযোগ দেয়া হবে না। এ সময় সভাস্থলে ব্যাপক করতালি এবং টেবিল চাপড়িয়ে সমর্থন দেয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দূতাবাসআয়োজিত ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে অতি সুকৌশলে জাতির পিতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে উপেক্ষা করা হয়।

১৯৯৬ সনে আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতাসীন হয়েবিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতে জাতীয় দিবসে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ শেষে রীতি অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস বিখ্যাত ৭মার্চের ভাষণ, মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল বা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে নিয়ে একটা আলোচনা করা হয়।

কিন্তু এই প্রথমবারের মত জাপান প্রবাসী ও স্বাধীনতার সপক্ষের সকলের প্রত্যাশাকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়েরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী দায়সারাভাবে পাঠ করে রাষ্ট্রদূতেরআশীর্বাদপুষ্ট এক চিমটি আওয়ামী লীগ, এক চিমটি সুবিধা ভোগীদেরকে নিয়ে টকশোর মতন একটা অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়।

পাশাপাশি স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেবারজন্য তার কোনো প্রতিকৃতিও রাখা হয়নি। যা মুজিবপ্রেমীদের আহত করে।

অথচ বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা একটি ক্ষুধা, দারিদ্র্য, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও রাজাকারমুক্তসমৃদ্ধ প্রশাসন গড়ে তুলতে চান। স্বাধীনতাবিরোধীদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী এই রাবাব ফাতেমাদের শনাক্ত করার কেউ নেই।

Top