আজ : শনিবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৭ ইং | ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে দু’জন শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান, ব্যাহৃত হচ্ছে লেখাপড়া

সময় : ৩:৫২ পূর্বাহ্ণ , তারিখ : ২২ মার্চ, ২০১৭


আব্দুর রাজ্জাক, নীলফামারী প্রতিনিধিঃজেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের নিতাই বাড়ী মধুপুর সরকারী

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ জন শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান। এতে করে ব্যহত হচ্ছে

পাঠদান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুন্নাহার জানান, বিদ্যালয়টির মোট

শিক্ষকের পদ সংখা ৬ জনের স্থলে রয়েছে ৪ জন। এর মধ্যে গত বছরের ১ ডিসেম্বর

মাতৃত্বকালীন ছুটিতে যান সহকারী শিক্ষক শাহিনা আক্তার এবং চলতি বছরের ১

জানুয়ারী পিটিআই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ডিপিএড করতে যান সহকারী শিক্ষক

মহিবুল্লাহ সরকার। বর্তমানে দু’জন শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান। এতে করে

সুষ্ঠভাবে পাঠদানে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তিনি বলেন সকালে প্রথম ও

দ্বিতীয় শ্রেণীর ক্লাশ নিতে কোন সমস্যা না থাকলেও ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত

দ্বিতীয় শিফটে মারাত্মক ভোগান্তিতে পরতে হয়। ২জন শিক্ষকের মধ্যে ২জন ২ ক্লাশে

পাঠদান করলেও একটি ক্লাশ ফাঁকা থাকে। যার কারণে ফাঁকা থাকা শ্রেণীর

শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনাতে মনযোগ থাকে না। ফলে অন্যান্য ক্লাশের শিক্ষক

শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিঘিœত হয়। অপর দিকে প্রধান শিক্ষক কামরুন্নাহার

রূপালী দপ্তরিক কাজে শিক্ষা অফিসে গেলে বা অন্য কোন কাজে গেলে একজন শিক্ষক

দিয়ে চালাতে হয় বিদ্যালয়টি। ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী সুমনা আক্তার ও কাকুলি আক্তার

জানান, আমরা এ বছরে সমাপনী পরীক্ষার্থী আমাদের ভাল ফলাফলের জন্য ম্যাডামেরা

আমাদেরকে বেশী করে ক্লাশ নেয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু ম্যাডামের আমাদের ক্লাশে

ক্লাশ নেয়ার সময় অন্যান্য ক্লাশে ম্যাডাম না থাকায় ক্লাশের শিক্ষার্থীরা

চেচামেচি করে থাকেন। সে কারণে আমাদেরও পড়ালেখা ভাল হচ্ছে না। ৪র্থ শ্রেণীর

ছাত্রী খোরশেদ আলম ও ৩য় শ্রেণীর ছাত্র রুহুল আমিন জানান, স্কুলে ২জন ম্যাডাম।

দুই ক্লাশে দুই ম্যাডাম গেলে একটি ক্লাশ ফাঁকা থাকে। নিয়মিত ভাবে পুরো

ক্লাশ হচ্ছে না। স্কুলের সভাপতি মহিবুল হোসেন জানান,সংশ্লিষ্ট শিক্ষা

কর্মকর্তাকে এ ব্যাপারে বার বার চাপ দেয়া হচ্ছে কিন্তু কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান,

অল্পদিনের মধ্যে ওই বিদ্যালয়ে দু’জন শিক্ষক দেয়া হবে।

Top