আজ : মঙ্গলবার, ২৭শে জুন, ২০১৭ ইং | ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

ফাঁসি কার্যকরে প্রস্তুত কারা কর্তৃপক্ষ : আইজি প্রিজন

সময় : ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ , তারিখ : ২২ মার্চ, ২০১৭


কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেছেন, ‘বিচারিক আদালত থেকে মৃত্যু পরোয়ানা (ডেথ ওয়ারেন্ট) এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ফাঁসি কার্যকরের আদেশের কাগজপত্র আসলে জেলকোড অনুসারে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের শীর্ষনেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ তিন জঙ্গির ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে আমরা সব সময়ই ফাঁসি কার্যকরে প্রস্তুত থাকি।’
কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেছেন, ‘বিচারিক আদালত থেকে মৃত্যু পরোয়ানা (ডেথ ওয়ারেন্ট) এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ফাঁসি কার্যকরের আদেশের কাগজপত্র আসলে জেলকোড অনুসারে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের শীর্ষনেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ তিন জঙ্গির ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে আমরা সব সময়ই ফাঁসি কার্যকরে প্রস্তুত থাকি।’
রাজধানীর পুরান ঢাকায় পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন তিনি।
সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মুফতি হান্নান ও শরীফ শাহেদুল বিপুলকে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং দেলোয়ার হোসেন রিপনকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।
ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে করা দুই জঙ্গির রিভিউ আবেদন খারিজের রায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ইতোমধ্যেই কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে পৌঁছেছে। রায় মুফতি হান্নান ও বিপুলকে পড়েও শোনানো হয়েছে। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশেও গেছে এ রায়ের কপি। পৌঁছানোর পর তা পড়ে শোনানো হবে রিপনকেও। এরপর তিন জঙ্গির সামনে সর্বশেষ সুযোগ হিসেবে থাকবে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা। তা না চাইলে অথবা প্রত্যাখ্যাত হলে সরকারের সিদ্ধান্ত ও জেলকোড অনুসারে ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে ফাঁসি কার্যকর করবে কারা কর্তৃপক্ষ।
আইজি প্রিজন সাংবাদিকদের বলেন, ‘রিভিউ খারিজের রায় আইন অনুসারে গেছে সিলেটের বিচারিক আদালত ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। আদালত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ডেথ ওয়ারেন্ট পাঠাবেন। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফাঁসি কার্যকরের দিনক্ষণসহ আদেশ পাঠাবে। এসব আদেশের অনুলিপি আসবে আমার কাছেও। এরপর জেলকোড মেনে ফাঁসির প্রক্রিয়া শুরু করব।’

২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটের হযরত শাহজালালের (র.) মাজারে আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত ৫ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। এরপর প্রায় সাত বছর পর গত বছরের ৬ জানুয়ারি এ মামলায় হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল রেখে ১১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
গত বছরের ২৮ এপ্রিল হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ১৪ জুন রায় হাতে পাওয়ার পর ১৪ জুলাই আপিল করেন দুই আসামি হান্নান ও বিপুল। অপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রিপন আপিল না করলেও আপিল বিভাগ তার জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ করেন। আপিলের শুনানি শেষে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর আসামিদের আপিল খারিজ হয়ে যায়। গত ১৭ জানুয়ারি এ রায় প্রকাশের পর আসামিরা পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন। রোববার দেওয়া রিভিউ খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়।
নো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলন এসব কথা বলেন তিনি।
সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মুফতি হান্নান ও শরীফ শাহেদুল বিপুলকে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং দেলোয়ার হোসেন রিপনকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।
ফাঁসির রায়ের বিরুদ্ধে করা দুই জঙ্গির রিভিউ আবেদন খারিজের রায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ইতোমধ্যেই কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে পৌঁছেছে। রায় মুফতি হান্নান ও বিপুলকে পড়েও শোনানো হয়েছে। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্দেশেও গেছে এ রায়ের কপি। পৌঁছানোর পর তা পড়ে শোনানো হবে রিপনকেও। এরপর তিন জঙ্গির সামনে সর্বশেষ সুযোগ হিসেবে থাকবে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা। তা না চাইলে অথবা প্রত্যাখ্যাত হলে সরকারের সিদ্ধান্ত ও জেলকোড অনুসারে ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে ফাঁসি কার্যকর করবে কারা কর্তৃপক্ষ।
আইজি প্রিজন সাংবাদিকদের বলেন, ‘রিভিউ খারিজের রায় আইন অনুসারে গেছে সিলেটের বিচারিক আদালত ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। আদালত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ডেথ ওয়ারেন্ট পাঠাবেন। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফাঁসি কার্যকরের দিনক্ষণসহ আদেশ পাঠাবে। এসব আদেশের অনুলিপি আসবে আমার কাছেও। এরপর জেলকোড মেনে ফাঁসির প্রক্রিয়া শুরু করব।’
২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটের হযরত শাহজালালের (র.) মাজারে আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত ৫ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। এরপর প্রায় সাত বছর পর গত বছরের ৬ জানুয়ারি এ মামলায় হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল রেখে ১১ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
গত বছরের ২৮ এপ্রিল হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ১৪ জুন রায় হাতে পাওয়ার পর ১৪ জুলাই আপিল করেন দুই আসামি হান্নান ও বিপুল। অপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রিপন আপিল না করলেও আপিল বিভাগ তার জন্য রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ করেন। আপিলের শুনানি শেষে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর আসামিদের আপিল খারিজ হয়ে যায়। গত ১৭ জানুয়ারি এ রায় প্রকাশের পর আসামিরা পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন। রোববার দেওয়া রিভিউ খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়।

Top