আজ : সোমবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

বিএম কলেজের মুসলিম হলে ছাত্রলীগের হামলা-ভাংচুর : ৩ ছাত্রলীগ কর্মী আহত

সময় : ৫:৩৭ পূর্বাহ্ণ , তারিখ : ১৪ মার্চ, ২০১৭


আপডেট নিউজ পেতে পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন

বরিশালঃ বরিশাল সরকারী বিএম কলেজে ছাত্রলীগের একাংশের সন্ত্রাসী হামলায় অপর অংশের তিন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়েছে। রোববার রাত ১১টার দিকে এই ঘটনার সময় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা ভাংচুর করেছে কলেজের মুসলিম হলের ২০৭ নম্বর কক্ষে।আহত অবস্থায় ছাত্রলীগের তিন কর্মীকে পুলিশ উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছে।এছাড়া রাতে ক্যাম্পাসে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষের আশংকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ মোহাম্মদ আওলাদ।প্রত্যক্ষদর্শী বিএম কলেজের মুসলিম হোলের শিক্ষার্থীরা জানায়, রোববার বিকালে কলেজের ফয়সাল আহম্মেদ মুন্নার সহযোগী বহিরাগত শিপন এর সঙ্গে সিনিয়র জুনিয়র নিয়ে জোবায়ের হোসেনের সহযোগী কলেজ ছাত্র রফিকুল ইসলামের বিরোধ হয়। এ নিয়ে বিকালে তাদের মাঝে হাতাহাতির পর রফিক এর সহযোগিরা মারধর করে বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী শিপনকে।
বিকালের ওই ঘটনার জের ধরে ফয়সাল আহম্মেদ মুন্নার নেতৃত্বে রাতে বহিরাগত শিপন সহ ১৫/২০ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী মুসলিম হলে হামলা চালায়।এসময় তারা হলের দ্বিতীয় তলায় ২০৭ নম্বর কক্ষে থাকা জুবায়ের’র সহযোগী ছাত্রলীগ কর্মী রফিকুল ইসলাম (২৫), এ.এম অলি (২২) সজিব সিকদার (২২) এর উপর ধারালো অস্ত্র, রড ও হকিস্টিক নিয়ে হামলা চালায়। তাছাড়া ভাংচুর করে ২০৭ নম্বর কক্ষের দ্বরজা, জানালা এবং পড়ার চেয়ার-টেবিল।আহতরা জানায়, মুন্না ও তার সহযোগিরা তাদের তিনজনকে মুসলিম হল থেকে টেনে-হিচড়ে পার্শ্ববর্তী মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে তিনজনকে রড, হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে এবাং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রফিক ও আলি জখম হলেও হকিস্টিক ও রডের আঘাতে সজিবের একটি হাত ভেঙ্গে গেছে।কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ মোহাম্মদ আওলাদ বলেন, সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মাধ্যে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়া হয়েছে।বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক স.ম ইমানুল হাকিম বলেন, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়েছি। সেখানে হোটেল সুপার এবং পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সোমবার কলেজ খোলার পরে এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।এ ব্যাপারে ফয়সাল আহম্মেদ মুন্না হামলার বিষয়ে, নিজের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করা বলেন,জোবায়ের অনুসারী রফিক আমার কর্মীদের উপর হামলা চালালে আমার কর্মীরা আত্মরক্ষার্থে তাদের সাথে ঝামেলায় জড়ায়।আর হামলার ঘটনায় অপর অভিযুক্ত শিপনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি বিগত কয়েকদিন যাবত পারিবারিক কাজে চট্টগ্রাম আছি।আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানিনা।

আপডেট নিউজ পেতে পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন

Top