আজ : রবিবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৭ ইং | ৫ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

‘বিচারপতি খায়রুল হকের বিচার হওয়া উচিৎ’

সময় : ৪:৫৩ অপরাহ্ণ , তারিখ : ১২ আগস্ট, ২০১৭


ষোড়শ সংশোধনী বাতিলকে পূর্বপরিকল্পিত বলে বিচারপতি খায়রুল হক জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এটা আদালত অবমাননার সামিল। এজন্য খায়রুল হকের বিচার হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন আইনজীবী ও বিশিষ্ট নাগরিকরা।

শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তারা।‘আইনের শাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আযোজন করে মৌলিক অধিকার সুরক্ষা কমিটি নামে একটি সংগঠন।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক ড. আসিফ নজরুল, রিদওয়ানুল হক, অপরাধ বিজ্ঞানী প্রফেসর ডা. মোজাহেরুল হক প্রমুখ।

আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বিচারপতি খায়রুল হক ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় নিয়ে যেসব কথা বলছেন তা অবমাননা। এ বিষয়ে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এখই কিছু করা দরকার। তাকে বিচারের আওতায় আনা দরকার।

তিনি বলেন, আদালত অবমাননার জন্য আমাকে শাস্তি পেতে হয়েছে। আমি আদালত অবমাননা করিনি। অবমাননা করেছেন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, অর্থমন্ত্রী। তাদের বিচার হওয়া দরকার। আইনের শাসন নিশ্চিত করতে দেশে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

আসিফ নজরুল বলেন, বিচারপতি খায়রুল হক ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় পূর্বপরিকল্পিত বলছেন। এটি জাতির সঙ্গে প্রতারণা। এটা আদালত অবমাননার শামিল। এ জন্য খায়রুল হকের বিচার হওয়া উচিৎ।

তিনি বলেন, যদি ষোড়শ সংশোধনী পূর্বপরিকল্পিত হয় তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে খায়রুল হকের দেয়া ত্রয়োদশ সংশোধনী কী ছিল। ত্রয়োদশ সংশোধনীর আংশিক রায়ের ১৬ মাস পর সেই রায়ের কপিতে তিনি সই করেন। এটার মনে কী দাঁড়ায়। বিচারপতি খায়রুল হক যে সমস্ত কাজ করেছেন তার অনেক কিছুই সাংঘর্ষিক।

অপরাধ বিজ্ঞানী প্রফেসর ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, দেশে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী যত সাইন্সের ব্যবহার বাড়াবে তত অপরাধ কমে যাবে। হাতের ছোয়া, থুথু, শব্দসহ বিভিন্ন বিষয়ের মাধ্যমে একজন অপরাধীকে চিহ্নিত করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। এজন্য আমাদের বিচারক, আইনজীবী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়া প্রয়োজন।

Top