আজ : সোমবার, ৩০শে এপ্রিল, ২০১৭ ইং | ১৮ই বৈশাখ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞাপনের মোহে পড়ে ভুলেও এই কসমেটিক্সগুলো কিনবেন না

সময় : ৪:০৭ পূর্বাহ্ণ , তারিখ : ২৫ মার্চ, ২০১৭


নিউজ ডেস্ক : মাঝে মাঝে আমরা বিজ্ঞাপনের মায়াজালে এতটাই ফেঁসে যাই যে অনাবশ্যক অনেক জিনিস কিনে ফেলি। বিশেষত বিউটি প্রোডাক্টস। এমনভাবে ক্রিম‚ সিরাম বা মাস্কের বিজ্ঞাপন বানানো হয়‚ যা দেখে আপনার মনে হবে সেগুলো কিনলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। একমাত্র সেগুলো ব্যবহার করলেই আপনি আগের থেকে দেখতে ভাল হয়ে যাবেন।

আজ আমরা ৮ টা এমন কসমেটিক প্রোডাক্টের কথা জানাচ্ছি যা আদৌ দরকার নেই আমাদের।

১) স্প্লিট এন্ড রেমিডিজ :

আপনার চুলের ডগা যদি একবার ভেঙে যায় আপনি যা-ই লাগান না কেন তা ঠিক হবে না। কিছু হেয়ার সিরাম বা হেয়ার বাম লাগালে কিছুক্ষণের জন্য হয়তো ডগা জোড়া লাগতে পারে কিন্তু আসল সমস্যার সমাধান হবে না। এর একমাত্র সমাধান হল চুল কেটে ফেল বা চুল ট্রিম করে নেওয়া।

২) হ্যান্ড ক্রিম‚ ফুট ক্রিম‚ বডি লোশন :

প্রসাধন কম্পানি এই মিথ সৃষ্টি করেছে যে শরীরের বিভিন্ন অংশের জন্য বিভিন্ন ক্রিম দরকার। মুখের ক্ষেত্রে দরকার হলেও হাত বা পায়ের জন্য আলাদা কোনও ক্রিম কেনার আদৌ কিন্তু দরকার নেই।

৩) সাধারণ ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু :

সিবেশিয়াস গ্ল্যান্ড যখন সঠিকভাবে কাজ করে না তখন ড্যানড্রাফ নামের একটা ফাংগাস ছড়িয়ে পরে। এটা যে কোনও সাধারণ ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ঠিক করতে পারে না। উপরন্ত এই সব শ্যাম্পু মাথার স্কাল্পকে আরও রুক্ষ করে তোলে। খুসকি তাড়াতে স্পেশাল মেডিকেটেড শ্যাম্পুর সাহায্য নিন।

৪) ফেসিয়াল টোনার :

মুখের ময়লা‚ তেল ধুলো তোলার জন্য টোনার ব্যবহৃত হয়। কিন্তু টোনারের থেকে যে কোনও ভাল ক্লিনজিং সাবান অনেক বেশি উপকারী। বেশিরভাগ টোনারে অ্যালকোহল থাকে যা ত্বককে কিছুক্ষণের মধ্যে ড্রাই করে দেয় এবং ত্বকের ন্যাচারাল পি-এইচ ব্যালেন্স নষ্ট করে দেয়।

৫) লিপ বাম :

এমনভাবে লিপ বামের বিজ্ঞাপন বানানো হয় যা দেখে আমাদের বদ্ধমূল ধারণা হয় ঠোঁট ময়শ্চারাইজ করার একমাত্র উপায় হল লিপ বাম। কিন্তু বেশির ভাগ লিপ বামেই অ্যালকোহল থাকে যা ঠোঁটকে কিছুক্ষণের মধ্যে রুক্ষ করে তোলে। এর থেকে ঠোঁটে এক ফোঁটা অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল লাগান।

৬) মহিলাদের শেভিং ক্রিম :

শাওয়ার জেল আসার আগে শেভিং ক্রিমের সত্যিই দরকার ছিল। এর ফলে লোম নরম হতো এবং রেজার চালাতে সুবিধা হতো। কিন্তু শাওয়ার জেলে অনেক বেশী গ্লিসারল থাকে যা শেভিং ক্রিমের থেকে কার্যকর। তাই অহেতুক শেভিং ক্রিম কিনে পয়সা নষ্ট করবেন না।

৭) সেলুলাইট ক্রিম :

অনেকেই বিশ্বাস করেন সেলুলাইট ক্রিম লাগালেই আপনি রোগা হয়ে যাবেন। রোগা হওয়ার একমাত্র উপায় কিন্তু হেলদি ডায়েট এবং এক্সারসাইজ। তাই দয়া করে সেলুলাইট ক্রিম বা মেদ কমানোর ক্রিম কেনা বন্ধ করুন।

৮) কিউটিক্যাল অয়েল :

বাজারে অনেক রকম কিউটিক্যাল অয়েল পাওয়া যায় যা কয়েক ফোঁটা লাগালে হাতের এবং পায়ের নখ মজবুত এবং ময়শ্চারাইজড হয়। কিন্তু এর প্রভাব বেশিক্ষণ থাকে না। সত্যিই যদি আপনি আপনার নখের দেখভাল করতে চান তাহলে প্রাকৃতিক তেল লাগান বা ভেসলিনও লাগাতে পারেন।

Top