আজ : রবিবার, ২৩শে জুলাই, ২০১৭ ইং | ৮ই শ্রাবণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ায় পাসপোর্ট বিতরণে চলছে মোবাইল ক্যাম্পিং

সময় : ৫:৫৭ অপরাহ্ণ , তারিখ : ২০ মে, ২০১৭


মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের হাতে দ্রুত মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) পৌঁছে দিতে দেশটির প্রত্যেকটি প্রদেশে মোবাইল ক্যাম্পিংয়ের মাধ্যমে চলছে ফিঙ্গার প্রিন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ। এরই অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার সমুদ্রবন্দর মালাক্কা ও জহুর বারুতে চলছে ফিঙ্গার প্রিন্ট ও পাসপোর্ট বিতরণ। দুই দিনব্যাপী মোবাইল ক্যাম্পের এ কার্যক্রম শেষ হবে রোববার।

জহুর বারুতে দূতাবাসের মিনিস্টার পলিটিক্যাল মো. রাইছ হাসান সারোয়ার, ফার্স্ট সেক্রেটারি (পাসপোর্ট/ভিসা শাখার) মো. মশিউর রহমান তালুকদার ও দ্বিতীয় সচিব তাহমিনা বেগমের নেতৃত্বে এ ক্যাম্পিং চলছে।

অপরদিকে সমুদ্রবন্দর মালাক্কায় দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি এম এস কে শাহীনের নেতৃত্বে শনিবার সকাল ১০টায় শুরু হয় এমআরপি ফিঙ্গারিং। মালাক্কা ও জহুর বারু মোবাইল ক্যাম্পে বাংলাদেশিদের আবেদন জমা এবং ডিজিটাল পাসপোর্ট বিতরণে রয়েছেন দূতাবাসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন, পাসপোর্ট শাখার অফিস সহকারী সুশান্ত সরকার, মো. আরিফ আহমেদ, মাহমুদুর রহমান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. তারিক আহমেদ।

মালাক্কায় মোবাইল ক্যাম্পিং থেকে পাসপোর্ট নিতে আসা সেন্টু মিয়া ও জহুর বারু ক্যাম্পে সেবা নিতে আসা শফিকুল জানান, দূতাবাস কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও হাইকমিশনার মো. শহীদুল ইসলামের নির্দেশনার কারণেই তারা সহজেই এমআরপি করতে পারছেন। যেখানে মালাক্কা ও জহুর বারু থেকে কুয়ালালামপুরে যাওয়া-আসা করতেই খরচ হত আড়াইশ রিঙ্গিত। এখন তারা মোবাইল ক্যাম্পের মাধ্যমে শুধু নির্ধারিত ফি দিয়েই পাসপোর্ট পাচ্ছেন।

এ বিষয়ে হাইকমিশনার মো শহীদুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীদের সেবা দিতে দূতাবাসের সব কর্মকর্তা নিরন্তর কাজ করছেন। মালয়েশিয়ার প্রত্যেকটি প্রদেশে ছড়িয়ে থাকা শ্রমিকদের হাতে ডিজিটাল পাসপোর্ট পৌঁছে দিতে এ প্রচেষ্টা। প্রতি শনি ও রোববার এ টিমটি নতুন পাসপোর্টের আবেদন ও বিতরণ করছে।

শহীদুল ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, বর্তমানে হাইকমিশনের কাজকর্মে আমূল পরিবর্তন এসেছে। কোনোভাবেই দালালদের আর হাইকমিশনের আশপাশে ঘেঁষতে দেয়া হচ্ছে না। যার কারণে সিরিয়াল অনুযায়ী ডিজিটাল পাসপোর্ট তৈরি এবং নবায়ন থেকে শুরু করে সবই হচ্ছে। মোট কথা হাইকমিশনের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী শ্রমিকবান্ধব হওয়ার কারণেই প্রবাসীরা দ্রুত সেবা পাচ্ছেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে হাইকমিশনার বলেন, আগে হাইকমিশনে আসা শ্রমিকেরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতো। এখন নতুন এ ভবনে শ্রমিকদের বসার জন্য জায়গা ভাড়া নিয়েছি।

দালালদের উৎপাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে যেসব শ্রমিক হাইকমিশন ঘিরে দালালি করত তারা এখন বলে বেড়াচ্ছে এ হাইকমিশনার আমাদের সর্বনাশ করে ফেলেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, হাইকশিনের আশপাশে নয় পুরো দালাল চক্রকেই আমরা নির্মূল করবো। হয়রানি বন্ধ হোক এটা এ দেশের সরকারও চায়। তার মতে, হাইকমিশনের দরজা জানালা সবকিছুই এখন ভিজ্যুয়াল। একজন আরেকজনকে সহজেই দেখতে পাবে। লুকোচুরির কিছুই নেই।

Top