আজ : বুধবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুর পৌরসভা নির্বাচন বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জন

সময় : ৫:০১ অপরাহ্ণ , তারিখ : ০৮ মে, ২০১৭


সকল নিউজ আপডেট পেতে লাইক বাটনে ক্লিক করুন

মেহেরপুর প্রতিনিধি ঃ জাল ভোট প্রদান, ভোটারদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও প্রশাসনের নীরব ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়ে গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হলো মেহেরপুর পৌরসভার স্থগিত হওয়া ৭ নং ওয়ার্ডের ১১ ও ১২ নং কেন্দ্রের (মেহেরপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র) নির্বাচন। এ নির্বাচনকে প্রশাসনের সাজানো প্রহসনের নির্বাচন দাবী করে ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপি দলীয় মনোনীত প্রার্থী (ধানের শীষ) জাহাঙ্গীর বিশ^াস ভোট বর্জনের ঘোষনা দেন। এ ঘোষনার পর পরই তার মনোনীত পোলিং এজেন্টরাও ভোট কেন্দ্র থেকে বের হয়ে আসতে শুরু করেন। এরপর ভোট কেন্দ্র দুটি পুরো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় আওয়ামী ক্যাডাররা।
বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর বিশ্বাস জানান.ভোট গ্রহণের শুরু থেকে আ.লীগের সরকার দলীয় ক্যাডারদের অব্যাহত হুমকি-ধামকীর মধ্যে সাধারণ ভোটারদের আতঙ্কিত করে রাখে। সরকার দলীয় ক্যাডারদের ভয়ে সাধারণ ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে বাধার সম্মুখীন হয়। এমনকি আ.লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য জাল ভোট প্রদান করে। এ সময় প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করে।ভোটগ্রহণের সকাল থেকেই আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থী মাহফুজুর রহমান রিটনকে জয়ী করতে মরিয়া হয়ে ওঠে দলের নেতাকর্মী ও ক্যাডাররা। একের পর এক নীল নকশা বাস্তবায়ন করতে থাকে তারা। এতে সফলও হয় তারা।
জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ অরুন বলেন, বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হয়নি, ভবিষ্যতে হবেও না। এজন্য প্রয়োজন নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় সরকার।
জেলা নির্বাচন অফিসার রোকনুজ্জামান বলেন, মেহেরপুর পৌর নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশ ভালো। কে নির্বাচন বর্জন করল সেটা তার ব্যাপার, নির্বাচন কমিশনের কিছু নয়।
উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল মেহেরপুর পৌরসভার ১৫টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৩টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৭ নং ওয়ার্ডের ১১ ও ১২ নং কেন্দ্রের (মেহেরপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র) ভোট গ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করেছিলেন নির্বাচন কমিশন।

আপডেট নিউজ পেতে পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন

Top