আজ : শনিবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৭ ইং | ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

রমজানে সেহরিতে যা খাবেন

সময় : ১২:৩৮ অপরাহ্ণ , তারিখ : ২৭ মে, ২০১৭


নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরে আবার এসেছে সিয়াম সাধনার মাস। মনে রাখতে হবে রোজার মাস সংযমের মাস। তাই খাওয়া থেকে শুরু করে ব্যায়াম, জীবনযাত্রা সবই হতে হবে নিয়ম মতো। এ সময় শরীরের কথা খেয়াল রেখে খাওয়া পরিমিত পরিমাণে করতে হবে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তার জন্য খেতে হবে স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিকর ও সুষম খাবার।

এবারের রমজান মাস শুরু হচ্ছে জ্যৈষ্ঠের একেবারে মাঝামাঝি দিকে। আর কিছুদিন পরেই বর্ষার আগমন ঘটবে। জৈষ্ঠের এ গরমে রোজা শুরু হওয়ার ফলে দেখা দিতে পারে পেটের সমস্যা, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, অবসাদ, আলসার, অ্যাসিডিটি ও বদহজমের মতো নানা সমস্যা। আর তাই রোজার এ দিনগুলোতে সুস্থ থাকতে চাই বাড়তি কিছু সর্তকতা।

তাহলে জেনে নিন রোজার দিনে সেহরিতে কেমন খাবার খাওয়া উচিত:

১.সেহরিতে এমন কিছু খাওয়া ঠিক না যা খেলে বদহজম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অনেকে সেহেরিতে দুধ কলা খেতে পছন্দ করেন। এতে বদহজম বা ঢেকুর ওঠার সম্ভাবনা থাকে। তাই সেহেরিতে এ জাতীয় খাবার পরিহার করাই ভালো।

২.খুব বেশি পরিমাণে খাবার না খেয়ে রুচি অনুসারে স্বাভাবিক খাবার খাবেন। সারাদিন খেতে পারবেন না বলে ইচ্ছামত উদরপূর্তি করে খাবেন না। পেটের এক-চতুর্থাংশ খালি রাখবেন। একজন মানুষের সারাদিন যে পরিমাণ পানি দরকার হয় সে পরিমাণ রাতে পান করা উচিত।

৩. সেহরিতে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন লাল আটা, বাদাম, বিনস, শস্য, ছোলা, ডাল ইত্যাদি খেতে হবে। এগুলো হজম হয় আস্তে আস্তে, তাই অনেক সময় পর ক্ষুধা লাগে। রক্তেও চিনির পরিমাণ তাড়াতাড়ি বাড়ে না।

৪.সেহরিতে খেজুর বা খোরমা অবশ্যই খাবেন। এতে আছে শর্করা, চিনি, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, কপার, সালফার, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন, ক্লোরিন ফাইবার, যা সারাদিন রোজা রাখার পর খুবই দরকারি।

৫. সেহরিতে তাজা ফলের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে সবজি খান। তা না হলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এগুলো আপনার নিঃশ্বাসকেও সতেজ রাখতে সাহায্য করবে।

৬. রোজার সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ না করলে এর অভাবে শরীরে কিটোন উৎপন্ন হবে। তাই এ সময় কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খান যেমন কলা, ওটস, রুটি ইত্যাদি।

৭. সেহরিতে দুধের সঙ্গে ইসবগুল খেতে পারেন।এতে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

৮. সেহেরিতে সহজপাচ্য বা ঠাণ্ডা খাবার যেমন দই, চিড়া খাবেন। তাহলে সারাদিন রোজা রাখা নাজুক পাকস্থলী শান্তিতে খাবার হজম করতে পারবে।

Top