আজ : রবিবার, ২৩শে জুলাই, ২০১৭ ইং | ৮ই শ্রাবণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

সকল রাজনৈতিক দলের উচিৎ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে কৃতজ্ঞ হওয়া

সময় : ৯:১২ পূর্বাহ্ণ , তারিখ : ০৮ মার্চ, ২০১৭


ঢাকা : ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, তিনি স্বাধীনতার ঘোষণার সাথে সাথে গেরিলা যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করার ঘোষণাও দিয়েছিলেন। যে কোনো বাঙালি ৭ মার্চে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনলে তা অনায়াশেই অনুধাবন করতে পারবেন। বঙ্গবন্ধু বলেছেন, ‘ প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল, তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি তোমরা বন্ধ করে দেবে। প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায়, প্রত্যেক ইউনিয়নে, প্রত্যেক সাব-ডিভিশনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাক। মনে রাখবা রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ বঙ্গবন্ধু তাঁর এ ভাষণের মধ্য দিয়ে ‘স্বাধীনতার ঘোষণা এবং গেরিলা যুদ্ধ করে প্রিয় বাংলাদেশকে স্বাধীন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ৭ মার্চ সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বাংলাদেশ মানবতাবাদী দল (বিএইচপি) এর মাহাসচিব ড. সুফি সাগর সামস্ এসব কথা বলেন। তিনি এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ছিল বাঙালি জাতির স্বাধীনতার টার্নিং পয়েন্ট ডে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতার লাল সূর্য্য ছিনিয়ে আনতে বাঙালি জাতি উদ্বেলিত হয়েছিল, উজ্জিবিত হয়েছিল। বাংলাদেশ মানবতাবাদী দল (বিএইচপি) বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে কৃতজ্ঞতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে, অকৃজ্ঞতার গ্লানি থেকে মুক্ত হয়েছে। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও ১৭ কোটি মানুষের উচিৎ ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে কৃতজ্ঞ হওয়া। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম শুরুর পূর্বে ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান’ দেওয়া উচিৎ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করে দিনের কাক্রম শুরু করতে হবে। ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, নারায়নগঞ্জ, শরীয়তপুর, শীবচর-মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর ও ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে আগত মানবতাবাদী দলের নেতাকর্মীরা মহাসচিব সুফি সাগর সামস্ এর নেতৃত্বে বঙ্গন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন।এ সময় সঙ্গে ছিলেন বিএইচপির ভাইস-চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান চিশতী, যুগ্ম-মহাসচিব ফরিদ আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক আবদুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আইয়ূব আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আরিফা আখতার, যুগ্ম ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন মারুফ (সোহেল), খন্দকার শানে আজম তাজিন, মো. ইউনুস আলী, মো. শাহজাহান হাওলাদার, শ্রী জীবন চন্দ্র শীল, মো. আলতাফ খান, মো. ইউসুফ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Top