আজ : মঙ্গলবার, ১২ই ডিসেম্বর ২০১৭ ইং | ২৮শে অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

দাম্পত্য সুখের চাবিকাঠি


সকল নিউজ আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন

আপনি যদি ভেবে থাকেন কেবলমাত্র শরীরের ভাইটালিটি বাড়ালেই আপনার দাম্পত্য যৌনজীবন সুখের হবে তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন৷ সুখের চাবিকাঠি লুকোন রয়েছে অন্যখানে৷ জেনে নিন…

সম্প্রতি আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয় একটি গবেষণা করেছে দাম্পত্য সেক্স-লাইফ কখন আরও মধুর হয়ে ওঠে সেই বিষয়ে৷ তাঁরা জানতে পেরেছেন গৃহস্বামী সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে কাঁড়িকাঁড়ি রোজগার করে বাড়িতে নিয়ে এলেই দাম্পত্য যৌনজীবন সুখের হয় না৷ বরং গৃহস্বামী যদি এর পাশাপাশি ঘরের কাজেও স্ত্রীকে সঙ্গ দেন, তাহলেই এটা ঘটা সম্ভব৷

প্রায় ১৪০০ জার্মান দম্পতিকে নিয়ে টানা ৫ বছর গবেষণা করেছেন তাঁরা৷ ‘স্কিপ দ্য ডিশেজ? নট সো ফাস্ট! সেক্স অ্যান্ড হাউসওয়ার্ক রিভিজিটেড’ শীর্ষক এই গবেষণালব্ধ তথ্য জানাচ্ছে তাঁরা গবেষণার সময় পুরুষদের ব্যাপারে দু’টি বিষয় মাথায় রেখেছিলেন৷ এক, গৃহস্বামী ঠিক কী পরিমাণে গৃহকর্ম করেন৷ এবং দুই, গৃহস্বামী কি মনে করেন তিনি যথেষ্টই গৃহকর্ম করেন?

দেখা গিয়েছে গৃহস্বামী কতটা গৃহকর্ম করেছেন সেটা দম্পতিদের যৌনজীবনে ততোটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং তিনি তাঁর স্ত্রীকে গৃহকর্মে সমান সহায়তা করেছেন এই ভাবনাই সুখী যৌনজীবনের মূল মন্ত্র৷

এখন এই ‘সমান’ গৃহকর্ম ব্যাপারটা এক দম্পতি থেকে অন্য দম্পতিতে আলাদা-আলাদা৷ গবেষকদের নেতা ড. ম্যাট জনসন জানিয়েছেন, ‘যে কোনও সম্পর্কেই কে কতটা ঘরের কাজ করবেন তা নির্ভর করে দু’টি মানুষের নিজেদের ব্যক্তিগত চাওয়ার ওপর৷ তাই দাম্পত্য যৌনজীবনের সুখও নির্ভরশীল নিজেদের চাওয়া-পাওয়ার ওপর৷ অতএব কাজের পরিমাণ খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়৷ গৃহস্বামীকে কেবল জানতে হবে তাঁর স্ত্রী তাঁর কাছ থেকে ঠিক কতোটা সহায়তা আশা করছেন৷’

২০১২ সালে এক গবেষণায় জানা গিয়েছিল যে সব পুরুষেরা বাড়িতে রান্নাবান্না, কাপড় কাচায় নিজেদের নিয়োজিত রাখেন, তাঁদের যৌনজীবন তেমন সুখের নয়৷ সাম্প্রতিক গবেষণা এই পুরনো ভাবনাকে নস্যাত্‍ করে দিচ্ছে৷ পাশাপাশি নতুন গবেষণায় এটাও জানা যাচ্ছে যে সব দম্পতি তাঁদের সন্তানের দেখভাল নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেন, তাঁদের সেক্স-লাইফ সবচেয়ে ভালো৷ তবে এই গবেষণায় একটিই মাত্র ত্রুটি৷ এই গবেষণা করা হয়েছিল জার্মান দম্পতিদের নিয়ে৷ যেহেতু জার্মান পুরুষেরা সচরাচর বাড়ির কাজ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের পুরুষদের তুলনায় সবচেয়ে কম করেন তাই এই গবেষণালব্ধ তথ্য অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে কাজের পরিমাণ নিয়ে কিছুটা ব্যতিক্রম হবেই৷

Loading...

আরও পড়ুন...
Top