আজ : শুক্রবার, ১৭ই আগস্ট, ২০১৭ ইং | ৩রা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

ইইউ ছাড়তে ব্রিটেনের আর বাধা নেই

সময় : ৫:২৩ পূর্বাহ্ণ , তারিখ : ১৪ মার্চ, ২০১৭


ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সাথে ব্রিটেনের থাকা না থাকা নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ব্রেক্সিট বিলটি পাস করেছে ব্রিটেনের সংসদ। সংসদের উচ্চ কক্ষ, হাউস অফ লর্ডস, আর্টিকেল-৫০ সংসদে পাস করার পর ইইউ ছাড়তে যুক্তরাজ্যের এখন আর কোনো বাধা রইলো না।

রয়্যাল এসেন্ট বা রানীর সম্মতি পেলে এই বিলটি মঙ্গলবারই আইনে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ইইউ নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করবার বিষয়টি নিয়ে সরকারের উপরে কিছুটা চাপ রয়েছে।

ব্রিটেনে প্রায় ৩০ বছর ধরে বাস করছেন ফরাসি নাগরিক এন-লর ডন্সকি। ব্রিটেনে ইইউ-এর যে প্রায় ৩০ লাখ নাগরিক বসবাস করছে তাদের সংগঠন ‘দি থ্রি মিলিয়ন’ এর সহকারী চেয়ারপার্সন-ও তিনি। এই বিল পাস হবার তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

এন-লর ডন্সকি বলছেন, ভোটের কথা শুনে আমার মন বিষাদে ছেয়ে গেছে। এর অর্থ হলো, আমরা যারা এখন ব্রিটেনে বাস করছি, রাজনৈতিক আলোচনার টেবিলে দরকষাকষির জন্য তাদেরকেই আসলে ব্যবহার করা হবে এবং এই ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের আর কিছুই বলারও থাকবে না।

তবে, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ইইউ নাগরিক যারা ব্রিটেনে বসবাস করছেন তাদের অধিকার নিশ্চিত করার ব্যাপারে সরকার আন্তরিক।

এদিকে স্কটল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নিকোলা স্টার্জন এক ঘোষণায় জানিয়েছেন, স্কটিশদের স্বাধীনতার লক্ষ্যে দেশটিতে নতুন করে আরেকটি গণভোটের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চাইবেন তিনি। ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেবার পরিপ্রেক্ষিতে এই গণভোট প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

কারণ স্কটল্যান্ডের স্কটল্যান্ড বহু মানুষ ই-ইউ-তে থেকে যাওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছিল। স্টার্জন বলেছেন, স্কটিশরা যদি সত্যিই এমনটি চায় তাহলে ব্রিটেন থেকে বের হওয়ার লক্ষ্যে ২০১৯ সালের আগেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হতে হবে।

অন্যদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেজা মে বলেছেন, স্বাধীনতার জন্য স্কটল্যান্ডে আবারো গণভোট হলে বিভেদ সৃষ্টি হবে এবং অনিশ্চিত পরিস্থিতির তৈরিরও আশঙ্কা আছে।

Top