আজ : শনিবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

ইসলামের দৃষ্টিতে যাদের বিবাহ করা হারাম

সময় : ১:০৩ অপরাহ্ণ , তারিখ : ১৮ জুলাই, ২০১৭


আপডেট নিউজ পেতে পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন

বিয়ে নর-নারীর মাঝে বৈধ সম্পর্কের মাধ্যম। ইসলাম বিয়ের ক্ষেত্রে বলেছে “তোমাদের যাদের পছন্দ তাদের বিয়ে করো” আল কুরআন। তবে ইসলামে পুরুষের জন্য ১৪ জন নারীকে বিয়ের অনুমতি নেই। তাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ বৈধ; বিবাহ অবৈধ। কিন্তু এসব নারী ছাড়া অন্য নারীদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করা পুরুষদের জন্য বৈধ নয়। নিচে ঐ ১৪ শ্রেণির নারী যথাক্রমে উল্লেখ করা হলো

১. মা।

২. আপন দাদি, নানি ও তাদের ঊর্ধ্বতন নারীরা।

৩. সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।

৪. আপন মেয়ে, ছেলের মেয়ে, মেয়ের মেয়ে ও তাদের গর্ভজাত যেকোনো কন্যাসন্তান ও আপন ছেলেসন্তানদের স্ত্রী।

৫. যে স্ত্রীর সঙ্গে দৈহিক মিলন সংঘটিত হয়েছে, তার পূর্ববর্তী বা পরবর্তী স্বামীর কন্যাসন্তান এবং স্ত্রীর মা অর্থাৎ শাশুড়ি, নানি শাশুড়ি ও দাদি শাশুড়ি।

৬. ফুফু অর্থাৎ পিতার সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।

৭. খালা অর্থাৎ মায়ের সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোন।

৮. ভাতিজি অর্থাৎ সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় ভাইয়ের মেয়ে ও তাদের অধস্তন কন্যাসন্তান।

৯. ভাগ্নি অর্থাৎ সহোদর, বৈমাত্রেয় ও বৈপিত্রেয় বোনের মেয়ে ও তাদের অধস্তন কন্যাসন্তান।

১০. দুধসম্পর্কীয় মেয়ে, মেয়ের মেয়ে, ছেলের মেয়ে ও তাদের অধস্তন কোনো কন্যাসন্তান এবং দুধসম্পর্কীয় ছেলের স্ত্রী।

১১. দুধসম্পর্কীয় মা, খালা, ফুফু, নানি, দাদি ও তাদের ঊর্ধ্বতন নারীরা।

১২. দুধসম্পর্কীয় বোন, দুধবোনের মেয়ে, দুধভাইয়ের মেয়ে এবং তাদের গর্ভজাত যেকোনো কন্যাসন্তান।

১৩. যৌনশক্তিহীন এমন বৃদ্ধা, যার প্রতি পুরুষের কোনো প্রকার আকর্ষণ নেই।

১৪. অপ্রাপ্তবয়স্ক এমন বালিকা, যার প্রতি পুরুষের এখনো যৌন আকর্ষণ সৃষ্টি হয়নি।

উল্লেখ্য, ১৩ ও ১৪ নম্বরে বর্ণিত মেয়েদের সঙ্গে বিয়ে জায়েজ আছে। উপরোক্ত নারীরা ছাড়া পুরুষের জন্য অন্য কোনো নারীর সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ জায়েজ নয়। (সুরা নিসা : ২৩, তাফসিরে মাজহারি : ২/২৫৪)

আপডেট নিউজ পেতে পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন

Top