২১শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং, রবিবার

ওরাল সেক্স বা মুখমেহন সম্পর্কে ইসলাম ধর্ম কি বলে?

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

মুখমেহন বা ওরাল সেক্স ইসলাম ধর্মে একটা বিতর্কিত বিষয়, কোন কোন বিদ্ব্যান এটাকে সমর্থন করেছেন আবার কেউ করেন নি, মোটামুটি ভাবে বলা যায় যে বিষয়কে কোরানে ‘হারাম’ অথবা হাদিসে নিষিদ্ধ বলে চিহ্নিত করে হয়নি তা বৈধ। আর এই নীতিকে ভিত্তি করলে মুখ মেহন বা ওরাল সেক্স একটি গ্রহনযোগ্য পদ্ধতি, এবং তা যদি বৈধ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রয়োগ হয় তবে এটা অন্যান্য যৌনপ্রনালীর মতই বৈধ। ইসলাম ধর্মে শুধু দূটো ব্যাতিক্রমের কথা পরিস্কার উল্ল্যেখ আছে, ১) পায়ুগমন বা মৈথুন ২) স্ত্রীর মাসিক বা রজঃস্রাব চলাকালীন সময়ে যৌন ক্রীড়ায় মত্ত হওয়া।

ওরাল সেক্স বা মুখমেহন ধারনাটি হুদাইবিয়া চুক্তির মতন একটা ঐতিহাসিক বিষয়ের সমসাময়িক, সহি বুখারী শরীফে এক উল্ল্যেখ আছে, এতে বোঝা যায় রাসুল সাঃ’র সাহাবীরা এই সমন্ধে ওয়াকিবহাল ছিলেন।

হুদাইয়বিয়া চুক্তি চলাকালিন সময়ে আবু বকর ‘উরোয়া বিন মাসুর থাকাফি’ কে বলেছিলেন “লা’ত র ক্লিটোরিস চোষ” ( লা’ত সেই সমকালীন একজন দেবীর নাম) পাকিস্তানী একদলের মতে মুখমেহন অবৈধ নয় কিন্তু পছন্দনীয় ও নয়। আল তাবারি হ’তে উদ্ধৃতিঃ

وكان عبد مناة بن كنانة تزوج هند بنت بكر بن وائل …… أبو بكر امصص بظر اللات واللات طاغية …
تاريخ الطبري – الطبري ج 2-
“Suck the clitoris/vagina of Laat”



ডঃ কারাদাই, এক সুন্নী মতবাদে বিশ্বাসী বিদ্বান এক ফতোয়াতে ‘কিছু সর্তাধীন’ ভাবে ওরাল সেক্স বা মুখমেহনকে বৈধতা দেন। সিয়া ইমাম আল-খোয়েই বলেন, ” স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ওরাল সেক্স বা মুখমেহন অবৈধ নয় (হারাম নয়)। সালাফী মতাবলম্বী বিদ্বানদের মতে “মুখমেহন সম্পূর্ন বৈধ কারন, আল্লাহর রাসুল স্ত্রীর সাথে পূর্বরাগ (ফোরপ্লে) উতসাহিত করেছেন, বলেছেন এতে করে দুজনের মধ্যে প্রেম ভালবাসা সমঝোতা বৃদ্ধি পায়”। ডঃ হেবা কোতব, মিশরীয় টেলিভিশনে যৌন বিষয়ক পরামর্শ দিয়ে থাকেন বলেন, ” ওরাল সেক্স বা মুখমেহন বৈধ কারন, এটাকে অবৈধ ঘোষনা করে কোন দলিল নেই”।
স্ত্রীর স্তন ও যোনী লেহন/চোষনঃ

ইসলামে এর বিরোধী কিছু বলা হয়নি, সুতরাং এটা স্বামী ও স্ত্রীর ব্যাক্তিগত পছন্দ অপছন্দের উপর নির্ভর করছে যে, ওরা এটা করবে কি না। স্বামী তার স্ত্রীর স্তন দলাই মলাই করতে পারেন, তার স্তনবৃন্ত (নিপল) ও স্তন চুষতে পারেন।

মালিকি মতাবলম্বীরা যোনী লেহন অনুমোদন করেন। কারন এটা হারাম নয় আর ‘মাকরুহ’ ও নয়। ইমাম মালিকি বলেছেন ‘জিভ দিয়ে যোনী লেহন হারাম নয়’ বলা হয় যখন কেঊ প্রশ্ন করেছিলেন, ‘স্ত্রীর যোনীদেশে চুমু খাওয়া ভাবে কি’? তখন তিনি বলেছিলেন, ‘কোন সমস্য নেই’।
নারীদের যোনি চোষার বিষয়ে কিছু তথ্য জেনে নিন

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন