২০শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং, রবিবার

কখন মেয়েদের যৌনাঙ্গ চুলকায় এবং কেন চুলকায় ?

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

আমরা যারা মেয়ে, আমাদের প্রতিদিন কতই না সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়। ঘর থেকে শুরু করে শরীরের সব দিক থেকে অনেক ঝাকেলায় পড়তে হয়। আজকে মেয়েদের একটি অতি পরিচিত এবং অতি বিব্রতকর একটি সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবো। আর তা হলো যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি। এটি খুবই কমন একটি অসুখ।

১) ঈস্ট বা ছত্রাকের আক্রমনঃ

এটি যৌনাঙ্গের চুলকানি বা ইচিং হওয়ার অন্যতম কারণ। সাধারণত Candida Albicans, এই ছত্রাকের কারণে যোনিতে চুলকানি হয়। এই ছত্রাক নরমালি মেয়েদের যৌনাঙ্গে পরজীবী হিসেবে থাকে। কিছু ল্যাকলোব্যাসিলাস নামে ইয়পকারি ব্যাকটেকিয়া এই ছত্রাকের বংশবিস্তারকে নিয়ত্রনে রাখে। কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিক খেলে,গর্ভাবস্থায়, দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকলে, হরমোনাল ইমব্যালেন্স থাকলে ও খাদ্যাভাসের কারণে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া মরে যায়। ফলে ঈস্ট গুলো তাদের জন্মের জন্য অনুকুল পরিবেশ পায়। এর কারণে যোনিতে ইনফেকশন হয়।

উপসর্গঃ
যোনি পথ দিয়ে ঘন, সাদা তরলের নির্গমন হয়।
চুলকানি, ব্যাথা ও প্রদাহ হয়।
যৌন মিলনের সময় ব্যাথা হয়।
২) ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিসের সংক্রমণঃ

এটি ভ্যাজাইনা বা যোনিতে চুলকানি হওয়ার অন্যতম কারণ। যোনিতে নরমালি কিছু ব্যাকটেরিয়া থাকে। যখন কোন কারণ এই ব্যাকটেরিয়া গুলোর অনেক বেশি বংশবিস্তার ঘটে তখন যোনিতে ইনফেকশন হয়।
উপসর্গঃ

গন্ধযুক্ত ও মাছের আঁশটে গন্ধযুক্ত তরল নির্গত হয় যোনি দিয়ে।

প্রচুর চুলকানি হয়।

প্রসাবের সময় জ্বালাপোড়া হওয়া।

৩) ট্রাইকোমোনিয়াসিস এর আক্রমণঃ

এটি একটি প্যারাসাইট। এটির আক্রমণে যোনিতে চুলকানি হয়।

উপসর্গঃ

হলুদ, সবুজ রঙের ও খুব তীব্র বাজে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়। তলপেটে ব্যাথা হয়। যোনিতে চুলকানি হয়।

৪) এছাড়াও যৌনাঙ্গে উকুন, খোসপাঁচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়াম এর সংক্রমণ হলে যোনিতে চুলকানি হয়।

৫) কিছু সেক্সয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজিজ যেমন – সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে ইচিং বা চুলকানি হয়।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন