২৩শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং, বুধবার

ঘরে ঘরে খুশির দিন

আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৮

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ঘরে ঘরে বইছে ঈদের আনন্দ। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এ দিনটি উদযাপন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় পশু কোরবানির মাধ্যমে সারা দেশের মুসলমানরা পালন করছে ঈদুল আজহা। বুধবার সকাল ৭টা থেকে দেশের বিভিন্ন এলকায় শরু হয় ঈদের নামায। নামায শেষে সাধ্যমতন পশু কোরবানি দেয়া শুরু হয়।

ঈদুল আজহার অন্যতম অনুষঙ্গ কোরবানি। কোরবানির পশু কেনা, তার যত্ন-পরিচর্যার মধ্য দিয়েই ইদুল আজহার প্রস্তুতি শুরু হয়। কোরবানির জন্য কেনা পশু ছোট বাচ্চাদের ঈদ আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।

ধর্মপ্রাণ ও উৎসবপ্রিয় বাংলাদেশের মুসলমানেরা প্রধান দুই ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা প্রিয়জনদের সঙ্গেই কাটাতে চায়। সে কারণে সীমাহীন দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনা মেনে নিয়েই ছুটে যান প্রিয়জনের কাছে, গ্রামে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

ঈদ উদযাপন এবং পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে মহান আল্লাহ’র সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টা করছে সকলে। মুরব্বিদের কবর জিয়ারত ও আত্মীয় স্বজনের খোঁজ-খবর নেওয়ার বিষয়টিও অগ্রাধিকার পায় ঈদ উৎসবে।

প্রায় চার হাজার বছর আগে মহান আল্লাহ’র সন্তুষ্টি লাভের আশায় হযরত ইব্রাহীম (আ:) প্রিয় পত্র হযরত ইসমাইল (আ:) কে কোরবানির করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু আল্লাহ তায়ালার অপার কুদরতে ইসলামইল (আ:) এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়। হযরত ইব্রাহীম (আ:) এর এই ত্যাগের কথা স্মরণ করে মুসলমানরা পশু কোরবানি দেন। আর্থিকভাবে সামর্থবান মুসলমানদের কোরবানি দেওয়া অবশ্য কর্তব্য।

জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা পালিত হলেও এর পরের দুই দিন কোরবানি দেওয়া যায়। কোরবানির সুনির্দিষ্ট কিছু বিধানও রয়েছে। সমাজে ধনী-গরিবের মধ্যে সমানভাবে আনন্দ ভাগভাগির জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এই বিধান মেনেই কোরবানি করতে হয়। কোরবানি দেওয়া পশুর মাংস তিন ভাগের এক ভাগ দরিদ্র মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দিতে হয়।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন