আজ : বুধবার, ১৬ই আগস্ট, ২০১৭ ইং | ১লা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরা ইউনিয়নে কর্মসৃজন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

সময় : ৬:৩৮ পূর্বাহ্ণ , তারিখ : ২২ মার্চ, ২০১৭


স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরিশাল সদর উপজেলার ৮নং চাঁদপুরা ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচীর প্রথম পর্যায়ে ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচীর প্রথম পর্যায়ে ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রায় ১৭ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়েছে চাঁদপুরা ইউনিয়নে।
এসব প্রকল্পে শ্রমিক ধরা হয়েছে ২১৬ জন। সরকার অতিদরিদ্র অদক্ষ শ্রমিকদের চল্লিশ দিনের দুই বেলা খাবার নিশ্চিত করতে ‘দাতা সংস্থার আর্থিক সহায়তায়’ এ প্রকল্প চালু করে কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন।
চাদপুরা ইউনিয়নে প্রকল্প সংশিষ্টরা ড্রেজার, ভটভটি ও চুক্তিভিক্তিক শ্রমিক দিয়ে প্রকল্পের নামমাত্র বাস্তবায়ন দেখিয়ে, প্রকল্প কর্মকর্তা, ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে পুরো বিল উত্তোলন করায় ফাঁকিতে পড়েছেন সুবিধাবঞ্চিত অতিদরিদ্র শ্রমিকরা।
এঅনিয়মের তদন্তদের দাবীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর ইউপি সদস্যদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড বাসী।
১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মীর বাহাদুর হোসেন কালাম’র বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর পক্ষে অভিযোগ করেছেন মো: মাজাহারুল ইসলামম কালম।
৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো: নজরুল ইসলাম সাময়িক বহিস্কার হওয়ার কারনে এ ওয়ার্ডেরও নেতৃত্বে ছিলেন ৪নং ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেন খান । এ দুই ওয়ার্ডের অনিয়মের কারণে মোশাররেফ হোসেন খান বাদশার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর পক্ষে অভিযোগ করেছেন মো: বেলায়েত হোসেন সিকদার।
স্থানীয় চেয়ারম্যানের খাম খেয়ালীতে ৫নং ওয়ার্ডের প্রকল্প প্রধান করা হয় সংরক্সিত আসনের ইউপি সদস্যকে। তার বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ জাহাঙ্গীর।
বিভাগীয় কমিশিনা, জেলা প্রশাসক, বরিশাল সোনালী ব্যাংক মহাব্যবস্থাপক, বরিশাল দুর্ণীতি দমন কমিশনের পরিচালক বরাবরও এ অভিযোগের অনিলিপি পাঠানো হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানায়ায়, চাদপুরা ইউনিয়নে এপ্রকল্পের জন্য বরাদ্দ হয় ১৭ লাখ টাকা।
৫ ও ৬ ওয়ার্ডে দৈনিক কাজ করার কথা ২৪ জন এবং ১,৩ ও ৪নং ওয়ার্ডে ২৭জন কাজ করার কথা তাকলেও কাজ করে ৮-১০ জন একাধকিবার উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তাকে অবহিত করেন এলাকাবাসী তবুও পুরো বিলা পাশা করেন তিনি।
কাজ শুরুর কথা ছিল ২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ কিন্ত তা হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর তবে পিছনের ৩দিনের অতিরিক্ত ভূয়া বিল উত্তোলন করে আত্মসাত করেছে অভিযুক্তকারীরা।
সরকারী নিতিমালা অনুযায়ী প্রতি লেবারের টাকা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করার থাকলেও সাহেবের হাট শাকার ব্যবস্থাপককে মোটা অংকের উতকোচ গ্রহন করে তা প্রকল্পের সভাপতিদের হাতে তুলে দেন। এতে সুবিধাবঞ্চিত হয় শ্রমিকরা।
উপজেলা নিবাহী অফিসার’র জানান, আমার কাছে এলাকাবাসীরা লিখিত অভিযোগ করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান আমান উল্লাহ আমান’র সাথে আলাপকালে তিনি জানান, আমার কাছে এমন কোন অভিযোগ এখনো তবে প্রতিটি ওয়ার্ড ভালই কাজ হয়েছে।

Top