আজ : বৃহস্পতিবার, ২৭শে এপ্রিল, ২০১৭ ইং | ১৪ই বৈশাখ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শুভেচ্ছা দূত হাবিবুল

সময় : ৬:১৫ অপরাহ্ণ , তারিখ : ১২ এপ্রিল, ২০১৭


আসছে জুনে ইংল্যান্ডে বসবে আট জাতির চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর। বাংলাদেশ এই আসরে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। আর এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শুভেচ্ছা দূত মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। ২০০৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসরে সর্বশেষ খেলেছিল বাংলাদেশ। সেবার বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হাবিবুল। এখন সাবেক এই ব্যাটসম্যান বাংলাদেশ জাতীয় দলের নির্বাচকমণ্ডলীর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শুভেচ্ছা দূত হিসেবে আট সদস্যের তারকা সমৃদ্ধ একটি টিমই ঘোষণা করেছে আইসিসি। সবাই হাবিবুলের প্রজন্মেরই কিংবদন্তি ক্রিকেটার। হাবিবুল নিজেও দেশের কিংবদন্তিদের অন্যতম একজন। হাবিবুল ছাড়াও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শুভেচ্ছা দূতরা হলেন- অস্ট্রেলিয়ার মাইক হাসি, দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রায়েম স্মিথ, ইংল্যান্ডের ইয়ান বেল, নিউজিল্যান্ডের শেন বন্ড, শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা, ভারতের হরভজন সিং ও পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি।
শুভেচ্ছা দূত হিসেবে সাবেক এই তারকারা টুর্নামেন্টের বিভিন্ন প্রচারণামূলক কাজে অংশ নেবেন। আইসিসির ওয়েব সাইটে লিখবেন কলামও।
দেশের হয়ে ৫০টি টেস্ট ও ১১১টি ওয়ানডে খেলেছেন হাবিবুল বাশার সুমন। মিস্টার ফিফটি হিসেবে পরিচিত হাবিবুলের ৫০ টেস্টে রান ৩০২৬, সেঞ্চুরি ৩টি ও ফিফটি ২৪টি। ওয়ানডেতে কোনো সেঞ্চুরি না থাকলেও ১৪টি ফিফটিসহ মোট রান ২১৬৮। ২০০৭ বিশ্বকাপের পর ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ ছিল তার শেষ। ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলেন হাবিবুল।
বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সফল অধিনায়কের নামও হাবিবুল বাশার। তার নেতৃত্বেই প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের। প্রথম সিরিজও জিতিয়েছেন সাথে। দেশকে ১৮ টেস্টে নেতৃত্ব দিয়েছেন হাবিবুল। অবশ্য জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়টিই হাবিবুলের নেতৃত্বে একমাত্র জয়। ওয়ানডেতে সর্বাধিক ৬৯ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছে তিনি। ২৯ জয় নিয়ে এখনো বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়কও হাবিবুলই।

Top