আজ : বৃহস্পতিবার, ১৭ই আগস্ট, ২০১৭ ইং | ২রা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

জাতীয় চিড়িয়াখানার উন্নয়নে জাপানের অনুদান

সময় : ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ , তারিখ : ২৩ মার্চ, ২০১৭


ঢাকা:জাতীয় চিড়িয়াখানার উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৬০ হাজার ২৯১ মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকার সমপরিমাণ অর্থ অনুদান দেবে জাপান।চিড়িয়াখানায় বিদ্যমান অডিও-ভিজ্যুয়াল সুবিধার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বন্যপ্রাণী, জীব-বৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক শিক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রমকে জোরদারের লক্ষ্যে জাপানের ‘গ্রান্ট অ্যাসিস্ট্যান্স ফর কালচারাল গ্রাসরুটস প্রজেক্টস’র অধীনে এই অর্থ অনুদান দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় জাপান দূতাবাসে এ সংক্রান্ত চুক্তিতে নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওয়াতানাবে এবং জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ড. এস. এম. নজরুল ইসলাম।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ২০১৪ সালে দ্বি-পাক্ষিক সফরকালে বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার অঙ্গীকার করেন।

তারই ধারাবাহিকতায় জাপান সরকার বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারের উন্নততর প্রতিপালনে সহযোগিতা প্রদানসহ বাংলাদেশের জীব-বৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে কাজ করেছে।

জাপান দূতাবাস জানিয়েছে, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ আগত দর্শনার্থী ও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অডিও–ভিজ্যুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করে বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক নিয়মিত প্রদর্শনী এবং ওয়ার্কশপ আয়োজনে সক্ষম হবে। এছাড়াও এ প্রকল্পের অধীনে জাতীয় চিড়িয়াখানার প্রাণীদের পরিচিতিমূলক সাইনবোর্ড ও স্পিকার সিস্টেম আধুনিকায়ন করা হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ওয়াতানাবে দু’দেশের জনগণের মধ্যে নানা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে উভয় প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার কথা স্মরণ করেন।

এছাড়া তিনি এই প্রকল্প যথারীতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাক্ষেত্রে আরও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ড. এস. এম. নজরুল ইসলাম এ প্রকল্পে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য জাপান সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করেন প্রস্তাবিত অডিও-ভিজ্যুয়াল সুবিধা ব্যবহার করে জীব-বৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী এবং পরিবেশ সম্পর্কিত বিষয়ে চিড়িয়াখানায় আগত দর্শনার্থী, ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকরা উপকৃত হবেন।

Top