আজ : বুধবার, ১৬ই আগস্ট, ২০১৭ ইং | ১লা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

ঝুঁকি নিয়ে সেন্টমার্টিন থেকে ট্রলারে ফিরেছে ৪ শতাধিক পর্যটক

সময় : ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ , তারিখ : ১১ মার্চ, ২০১৭


কক্সবাজার: বৈরী আবহাওয়ার কারণে ৩ নং সর্তক সংকেত বলবৎ থাকায় পর্যটকবাহী কোন জাহাজ টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে চলাচল করতে পারেনি। ফলে গত কয়েকদিনে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যাওয়া প্রায় দেড় হাজার পর্যটক আটকা পড়েছে। তবে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে এ পর্যন্ত প্রায় ৪ শতাধিক পর্যটক ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে টেকনাফে ফিরে এসেছে।

সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, গত কয়েকদিনে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে এসে প্রায় হাজার খানেক পর্যটক দ্বীপে অবস্থান করছিল। এরই মাঝে হঠাৎ করে ৩ নং সংকেত জারি হওয়ায় প্রশাসন পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ফলে দ্বীপে ভ্রমণে আসা পর্যটকরা আটকা পড়ে। তবে প্রায় ৪ শতাধিক পর্যটক ট্রলারে করে টেকনাফে ফিরে গেছে। আটকা পড়া পর্যটকদের যাতে কোন সমস্যা না হয় সে ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

পর্যটকবাহি জাহাজ কেয়ারী সিন্দাবাদের ব্যবস্থাপক শাহ আলম জানান, প্রতিদিনই টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে কেয়ারি সিন্দাবাদ, কেয়ারি ড্রাইনিং এন্ড ক্রুজ, এলসিটি কুতুবদিয়া, এমবি বাঙ্গালি, গ্রীন লাইন, বে-ক্রুজ ও এলসিটি কাজল পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করে। কিন্তু হঠাৎ করে বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোন পর্যটক সেন্টমার্টিন দ্বীপে যেতে পারেনি। বৈরী আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে সেন্টমার্টিনে জাহাজ পাঠিয়ে পর্যটকদের টেকনাফে ফিরিয়ে আনা হবে।

কোস্টগার্ড সেন্টমার্টিন স্টেশনের কমান্ডার সাব লেফটেনেন্ট মোহাম্মদ হাশেম জানান, ৩ নং সর্তক সংকেত বলবৎ থাকায় সেন্টমার্টিনে বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে শত শত পর্যটক অটকা পড়েছে। বৈর্রী আবহাওয়ার কারণে জাহাজ চলাচল করতে না পারায় তারা টেকনাফ ফিরতে পারছে না। তবে যাদের সমস্যা রয়েছে তাদেরকে স্প্রীড বোটে সেন্টমার্টিন থেকে শাহপরীর দ্বীপ পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া কিছু কিছু পর্যটক ট্রলারে করে ফিরে যাচ্ছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শফিউল আলম জানান, সর্তক সংকেত বলবৎ থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে কোন জাহাজ চলাচল করতে পারছে না। সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে। পর্যটকরা সবাই নিরাপদে রয়েছেন। আবহাওয়া পরিস্থিতি ভাল হলে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু করে আটকে পড়া পর্যটকদের টেকনাফ ফিরিয়ে আনা হবে।

Top