১৯শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং, শনিবার

দেশের প্রথম জেলা কর্মপরিকল্পনা সহ চারটি বইয়ের মোড়ক উম্মোচন

আপডেট: অক্টোবর ৭, ২০১৮

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

জেলা প্রতিনিধি, নাটোরঃ দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে উম্মোচিত হল দেশের প্রথম নাটোর জেলা উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা। এছাড়া জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ‘উত্তরা গণভবনের ইতিহাস’ রাজকুমারী ইন্দুপ্রভার আত্মকথা এবং জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুনের লেখা কবিতার বই ‌‌‘হাঁটার গান’ এই চারটি বইয়ের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (০৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুনের সভাপতিত্বে প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস, নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান খান, বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী, সিংড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক, নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরি জলি, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-রিচালক গোলাম রাব্বী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক ড. রাজ্জাকুল ইসলাম সহ জনপ্রতিনিধি, সুধী সমাজ ও সাংবাদিকবৃন্দ।

প্রকাশনা উৎসবে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন না দেখলে দেশ স্বাধীন হতো না, আর প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন না দেখলে আজ বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হতো না। তার নির্দেশনায় আজ প্রতিটি প্রশাসনের কর্মকর্তারা সৃজনশীল মনোভাব নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি যে পরিকল্পনা বর্তমান জেলা প্রশাসন আমাদের হাতে দিয়ে গেলেন, আগামী দিনে এই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পারলে আমরা অভিষ্ঠ লক্ষ্য অর্জনে পৌছাতে পারবো।

এর আগে নাটোর জেলা উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা বইয়ের ওপর আলোচনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক ড. রাজ্জাকুল ইসলাম, রাজকুমারী ইন্দুপ্রভার আত্মকথা বইয়ের ওপর আলোচনা করেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আবুল কালাম আজাদ এবং শাহিনা খাতুনের লেখা হাঁটার গান বইয়ের ওপর আলোচনা করেন সাংবাদিক পরিতোষ অধিকারী।
জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন দেশের প্রথম জেলা হিসেবে নাটোর জেলা কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করার উদ্যোগ গ্রহন করেন। জেলা কর্মপরিকল্পনাটি সরকারের ” রূপকল্প ২০২১, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০৩০ এবং রূপকল্প ২০৪১: নিয়ে এই কর্মপরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। মোট ৩৩২ পৃষ্টার এই বইটিতে সরকারের ৪৫টি দপ্তরের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান সহ নানা বিষয়ে প্রাধণ্য দেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০১৮

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন