২১শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং, রবিবার

নেতাকর্মীদের রাস্তায় নামার আহ্বান দুদুর

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৮

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘জালিম সরকার ক্ষমতায় আছে তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদেরকে রাস্তায় নামতেই হবে যদি ভোটের অধিকার গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হয়। দেশের মেহেনতি কৃষক শ্রমিক সর্বসাধারণের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী কারাগারে ধুকে ধুকে মরবে আর আমরা চুপচাপ বসে থাকব এটা হয় না। এটা নিজের সাথে নিজের প্রতারণা। এটা কোনো ভাবেই হতে পারে না।’

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাইঞ্জে জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম ৭১ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে যুব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সামসুজ্জামান দুদু বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে জাতীয় ঐক্য গঠনের যে প্রক্রিয়া চলছে সেটি দেশের মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখাবে।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, সরকারের সময় শেষ হয়ে এসেছে। পয়লা অক্টোবর থেকে রেডি হয়ে যান।

মওদুদ বলেন, আমাদের জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়াকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। কারণ, এই স্বৈরাচারী সরকারকে অপসারণ করতে হলে সারা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মাঠে নামতে হবে। জনগণের জোয়ার এই সরকারকে দেখাতে হবে। আমরা এইবার খালি মাঠে গোল দিতে দেবো না। পয়লা অক্টোবর থেকে রেডি হয়ে যান।

‘জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় যাঁরা আছেন, তাঁরা দুর্নীতিবাজ’—প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর জাতীয় ঐক্যের জনপ্রিয়তা আরো বাড়বে দাবি করে মওদুদ বলেন, ‘প্রথমে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়াকে তারা স্বাগত জানাল। কিন্তু পরে আবার বলল, এই ঐক্য প্রক্রিয়ায় যারা আছে, তারা সবাই দুর্নীতিবাজ, সুদখোর। এদের নিয়ে ঐক্য করেছে, এরা জনগণের জন্য কিছু করতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এ ধরনের অশালীন বক্তব্য কখনই কাম্য নয়।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের বক্তব্য আগেও দিয়েছেন, এখনো দিচ্ছেন। এ থেকে একটা জিনিস প্রমাণিত হয়, এই সরকার আতঙ্কিত হয়েছে, এই সরকার বিচলিত হয়েছে। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ায় তাদের গাত্রদাহ হচ্ছে। আজকে সরকারের কেউ এটা সহ্য করতে পারছে না। প্রথমে বলল ভালো, ঐক্য প্রক্রিয়া ঘোষণার দু-তিন দিন যাওয়ার পর অসহ্য হয়ে গেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব বক্তব্য প্রত্যাহার করতে, না হলে রাজনীতিতে শালীনতা বলে কিছু থাকবে না। বাংলাদেশের মানুষ কি এত বোকা? এ ধরনের বক্তব্যের পর জাতীয় ঐক্যের জনপ্রিয়তা আরো বৃদ্ধি পাবে।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ঢালী মো. আমিনুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক আশরাফ উদ্দীন বকুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক শিকদার, জিনাফের সভাপতি লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার প্রমুখ।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন