আজ : বৃহস্পতিবার, ২৯শে জুন, ২০১৭ ইং | ১৫ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

বিসিসি’র কর্মকর্তার সেল্টারে বরিশালে এমইপি কোম্পানির বিরুদ্ধে দোকান দখলের অভিযোগ ॥ থানায় জিডি

সময় : ৮:৩৩ অপরাহ্ণ , তারিখ : ১২ এপ্রিল, ২০১৭


স্টাফ রিপোর্টার ॥ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের হাট বাজার শাখার সুপারিনটেনডেন্ট মু: নুরুল ইসলামের সহযোগীতায় নগরীর হাটখোলা কসাইখানা এলাকায়

এবার এমইপি কোম্পানির দখল সন্ত্রাসীরা এক লোহা

ব্যবসায়ীর দোকান দখল করে নিয়েছে। গত ৯ এপ্রিল

রবিবার রাত সাড়ে আটটায় হঠাৎ করেই দখল করে নেয় ওই

দোকান। এ ঘটনায় লোহা ব্যবসায়ী শেখ মো: জাবেদ

বাদী হয়ে গতকাল কোতয়ালী মডেল থানায় সাধারন

ডায়েরী করেছেন। ডায়েরী নং ৬২৪/১৭। স্থানীয় ও থানায়

ডায়েরী সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সাল থেকে প্রায় ২০

বছর যাবৎ নগরীর হাটখোলা কসাইখানা এলাকায় জিলানী

আয়রন’র মালিক শেখ জাবেদ লোহা ব্যবসা করে আসছেন।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মালিকানা জায়গায় স্টল

শেখ জাবেদ এর নামে ৬ ফেব্রুয়ারী ২০০১ সালে ৫ লাখ ১৫

হাজার টাকা জামানাত নিয়ে তৎকালীন পৌরসভার

চেয়ারম্যান আহসান হাবিব কামাল বরাদ্ধ দেন। এরপর থেকে

নিয়মিত ভাড়া প্রদান করে ব্যবসা করে আসছেন ওই

ব্যবসায়ী। কিন্তু হঠাৎ করে গত রবিবার রাতে সিটি

কর্পোরেশনের হাট বাজার শাখার সুপারিনটেনডেন্ট

মু: নুরুল ইসলামের সহযোগীতায় নগরীর হাটখোলা

কসাইখানা এলাকায় এবার এমইপি কোম্পানির ৪০/৫০

দখল সন্ত্রাসীরা জিলানী আয়রন নামের লোহার দোকানে

তালা মেরে দেয়। এ সময় দোকান মালিক জিজ্ঞেস করলে

বলেন, যে এমইপি কোম্পানির নামে ওই স্টল বরাদ্দ করা

হয়েছে। জিডিতে আরো উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন

রাতে বাদী দোকান বন্ধ করার আগে ওইসব সন্ত্রাসীরা

এসে দোকানে তালা মেরে দেয়। আর বলে যে আমরা

বিসিসি থেকে লিজ এনেছি। আজ থেকে এই দোকান

আমাদের। এ ছাড়া বাদী শেখ জাবেদকে প্রান নাশের

হুমকি দিয়ে আসেছে আসামীপক্ষ। একইসাথে বাদীর

কাছ থেকে ২০১৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী ৬ নং ওয়ার্ডের

কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে বিবাদী নুরুল ইসলাম দেড় লাখ

টাকা স্টল বাবদ নেয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন মানি

রিসিভ দেয়নি। এছাড়া ৭০ হাজার টাকার মানি রিসিভ

দিতে চায়। বাকি টাকা আসামী নুরুল ইসলাম ঘুষ

হিসেবে দাবী করে বলে উল্লেখ করেন বাদী। এ ব্যাপারে

দোকান মালিক জাবেদ আরো জানান, বিসিসি’র

নুরুল ইসলাম মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে এমইপি

কোম্পানির নামে দোকান বরাদ্দ দিয়েছে। যা

আইনগতভাবে অবৈধ। কারন ওই দোকানে বর্তমানে

আমার প্রায় কয়েক লাখ টাকার মালামাল রয়েছে। এ ছাড়া

অবৈধভাবে দোকান তারা দখল করে নিয়েছে। আমি এ

ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নিবো। এ ব্যাপারে

বিসিসি’র হাট বাজার শাখার সুপারিনটেনডেন্ট মু:

নুরুল ইসলাম জানান, কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে

সম্পূর্ন বৈধভাবে দোকান এমইপির কাছে হস্তান্তর করা

হয়েছে। এখানে কোন দুর্নীতি হয়নি। আর আমার পক্ষে

একজনকে দোকান দেয়াও সম্ভব নয় বলে দাবী করেন এ

অভিযুক্ত কর্মকর্তা। এ বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানার

সেকেন্ড অফিসার এসআই আবু তাহের জানান, গতকাল

বিকেলে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দোকানে

তালার দেয়ার ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বাদী পক্ষের

সাথে কথা হয়েছে। তবে বিবাদী পক্ষের সাথে আজ কথা

বলে বিস্তারিত জানানো যাবে। এদিকে, এ ঘটনার

ব্যাপারে এমইপি কোম্পানির মালিক পক্ষের সাথে

যোগাযোগের চেস্টা করা হলে তারা ফোন রিসিভ করেননি।

Top