১৯শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং, শনিবার

মেয়েরা কখন যৌন তৃপ্তি পায় । জেনে নিন ?

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৮

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রিয় পাঠক তিনি মেইলে মেইল করে প্রশ্ন করেছেন যে, মেয়েদের অর্গ্যাজমের সময় কি ঘটে?
সেই প্রশ্নের আলোকে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছে। চলুন বিস্তারিত জানা যাক।

উত্তর: হস্তমৈথুনের বা যৌন মিলনের সময় চরম আনন্দের মুহূর্তকে বলা হয় অর্গ্যাজম। অর্গ্যাজমের সময় সুস্থ্য স্বাভাবিক পুরুষদের বীর্যস্খলন হয়। কিন্ত এখানে মনে রাখবেন অর্গ্যাজম এবং বীর্যস্খলন দুটো আলাদা বিষয়। সাধারণত দুটি একসাথেই হয় এবং অর্গ্যাজম বীর্যস্খলনে সাহায্য করে। তবে অর্গ্যাজম ছাড়াও বীর্যস্খলন কিংবা বীর্যস্খলন ছাড়াও অর্গ্যাজম হতে পারে।

এমনিতে যৌন উত্তেজিত হলে মেয়েদের যোনি দিয়ে স্বল্প পরিমাণে পিচ্ছিল তরল বের হয় যা হস্তমৈথুন এবং যৌনমিলনের সময় লুব্রিকেশনের কাজ করে। এছাড়া মেয়েদের ক্ষেত্রে সাধারণত অর্গ্যাজমের সময় যোনিপথে আলাদা করে কিছুই বের হয়না।

কিছু কিছু প্রাপ্তবয়ষ্কদের জন্য তৈরি মুভিতে দেখানো হয় যে অর্গাজমের সময় বা তার পূর্বের যৌন উত্তেজনার ফলে মেয়েদের যৌনাঙ্গ থেকে প্রচুর পরিমাণে তরল ফিনকি দিয়ে বের হয়। ওটা আসলে মূত্রত্যাগের প্রকারভেদ, যা মূত্রছিদ্র দিয়ে বের হয়। অর্গাজমের সময় এই ধরনের মূত্রত্যাগকে বলা হয় squirting। তবে এই সময় মূত্রের সাথে কিছু বিশেষ গ্রন্থি হতে নিসৃত তরলও মিশে থাকতে পারে, যা সাধারণ মূত্রে থাকেনা।

খুবই সীমিত সংখ্যক (প্রায় ১০ শতাংশ) মহিলার ক্ষেত্রেই এই squirting হয়। এছাড়াও কিছু গবেষক মনে করেন যে অর্গ্যাজমের সময় স্কিন গ্রন্থি (যাকে মেয়েদের প্রোস্টেট গ্রন্থিও বলা হয়) থেকে সামান্য পরিমানে একধরনের চটচটে সাদাটে তরল বের হয়। এই ঘটনাকে বলা হয় female ejaculation। তবে squirting এবং female ejaculation দুটোই বিতর্কিত বিষয়। অনেকে আবার মনে করেন দুটি একই ঘটনা এবং একসাথেই ঘটে।

অর্গ্যাজমের সময় মেয়েদেরও ছেলেদের মতন চরম আনন্দ বোধ হয়। তাদের ক্ষেত্রেও ওই সময় শরীরের বিভিন্ন পেশী (যোনি, জরায়ু, পায়ু, শ্রোনীচক্রের তলদেশ) নির্দিষ্ট ছন্দে সংকুচিত-প্রসারিত হয়। উল্লেখযোগ্য যে অর্গ্যাজমের সময় যোনির ভেতরের দেওয়ালের পেশীর পর্যায়ক্রমিক সংকোচন-প্রসারণ বীর্যসহ শুক্রাণুকে জরায়ুতে নিয়ে যেতে সাহয্য করে।

এছাড়াও অর্গ্যাজমের সময় মেয়েদের দ্রুত শ্বাস পড়তে থাকে, ঘাম হয়, গরম লাগে, শরীর কাপতে থাকে এবং শিৎকার বা চিৎকার করতে ইচ্ছে হয়। এই সময় এন্ডোর্ফিন ক্ষরিত হয়ে রক্তে মিশে যায় যার ফলে আনন্দ হয় এবং অনেক সময় ঘুমের আবেশ চলে আসে। অনেকের আবার ত্বকে রক্ত চলাচল বেড়ে গিয়ে গায়ের রঙ হালকা লালচে হতে পারে এবং স্তনের চুচুক শক্ত হয়ে আকারে বেড়ে যেতে পারে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন