আজ : সোমবার, ২৬শে জুন, ২০১৭ ইং | ১২ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

যেকোনো মুহূর্তে হান্নানের ফাঁসি কার্যকর

সময় : ৯:২৯ অপরাহ্ণ , তারিখ : ০৯ এপ্রিল, ২০১৭


মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি হুজি নেতা মুফতি হান্নানের ফাঁসি যেকোনো মুহূর্তে কার্যকর হতে পারে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. মিজানুর রহমান।

রবিরার বিকেলে এ তথ্য জানান তিনি। তিনি জানান, কারাগারে ফাঁসির ক্ষণ গণনায় থাকা হান্নানের ফাঁসি যেকোনো মুহূর্তে কার্যকর হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আদেশ হাতে পেলেই দুই জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর করবে কারা কর্তৃপক্ষ।

তিনি আরো জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ফাঁসি কার্যকরের নির্বাহী আদেশ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কারাগারে এলে এবং নির্দেশনা পেলেই কারা বিধি মোতাবেক হরকাতুল জিহাদ (হুজি) নেতা মুফতি হান্নানসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। বিকেল পর্যন্ত ফাঁসি কার্যকরের আদেশ হাতে এসে পৌঁছায়নি বলে জানান তিনি।

মুফতি আব্দুল হান্নান ছাড়াও দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন রিপন ও শরিফ শাহেদুল। তাদের মধ্যে মুফতি হান্নান ও শরীফ শাহেদুলকে কাশিমপুরের হাইসিকিউরিটি কারাগারে রাখা হয়েছে। রিপন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে যান ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী। ফেরার পথে ফটকের কাছে গ্রেনেড হামলায় আনোয়ার চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজন আহত হন, নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন।

এ ঘটনায় করা মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল জঙ্গিনেতা মুফতি হান্নান, জঙ্গি শরিফ শাহেদুল ও দেলোয়ারকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন। গত ৭ ডিসেম্বর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে মুফতি হান্নানসহ তিন জঙ্গির আপিল শুনানি শেষে আপিল বিভাগ খারিজ করেন। গত ১৭ জানুয়ারি আপিল বিভাগের ৬৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

উচ্চ আদালতের আপিল শুনানি ও রিভিউ খারিজের পর তাদের ফাঁসি কার্যকরে আর কোনো বাধা ছিল না। মার্চের শেষ সপ্তাহে দুই ধাপে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়ে আবেদন করেন। তবে শনিবার রাতে সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়।

Top