আজ : বুধবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

শশুরের ক্ষমতা খাটিয়ে চাচার বাড়ির পথ বন্ধ করল ভাতিজা

সময় : ২:৪৮ অপরাহ্ণ , তারিখ : ১১ এপ্রিল, ২০১৭


সকল নিউজ আপডেট পেতে লাইক বাটনে ক্লিক করুন

ভোলার চরফ্যাশনের মোল্লা আবুল কালাম আজাদের মেয়ের জামাই আবুজর

(সুমন)এবার টিন দিয়ে প্রাচীর তুলে তার চাচার বাড়ির প্রবেশ পথ অবরুদ্ধ করে

দিয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে আহাম্মদপুর।এর পূর্বেও একাধিকবার তার শশুরের ক্ষমতার

বলে তার চাচা চাচীর সাথে চরম দূরব্যাবহার করেছ যার কোন বিচার তার শশুর

করেনি।

এব্যাপারে খোজ নিয়ে জানা যায় যে – সুমনের চাচা মো.বজলুর রহমানের নিকট

সুমনের মা জোসনা বেগম ১২ শতাংশ জমি বিক্রয় করে। তার মধ্যে ৯ শতাংশ

২০০৯ সালে বিক্রি করে যার দলিল ৩০/৮/২০১০ তারিখে সম্পন্ন হয়। পুনরায়

জোসনা বেগম ২০১৬ সালের প্রথমদিকে আরও ৩ শতাংশ জমি বিক্রি করে

১৭০,০০০/ (এক লক্ষ সত্তর হাজার) টাকা নেয় যার দলিল এখনও দেয়নি।

গত এপ্রিল ২০১৬ ইং জোসনা বেগম, স্থানীয় আমিন ডাক্টারের মাধ্যমে বজলুর

রহমানকে ফোন দিয়ে ঢাকা থেকে বাড়ি ডেকে নেয়। তিনি বাড়ি গেলে জোসনা

বেগমসহ স্থানীয় মো. আমিন ডাক্টার, মো. নাগর মিলেটারী, মো. ফারুক মোল্লা,

মো. ফারুক সিকদার, মো. ওহাব আলী মাঝি সহ অন্যান্য লোকদের উপস্থিতিতে

বজলুর রহমানকে ১২ শতাংশ জমির দখল বুঝিয়ে দেয়। এবং এক মাসের মধ্যে তিন

শতাংশের দলিল সম্পন্ন করে দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়।

বজলুর রহমানকে তার দিলিল অনুযায়ী জমি বুঝিয়ে দিলে জোসনা বেগমের বাসা

হতে বাহির হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায় বিধায়, জোসনা বেগমের অনুরোধে বজলুর

রহমানকে তার দলিল অনুযায়ী রাস্তার নিকট হতে দোকানের ভিটির জন্য পূর্ব-পশ্চিমে

১৮ হাত এবং উত্তর-দক্ষিনে বিশ হাত জমি দিয়ে, বাকি জমি জোসনা বেগমের

চলাচলের পথ রেখে তার পরথেকে বুঝিয়ে দেয়। বজলুর রহমান জমি বুঝে নিয়ে

একটি পাকা বাড়ী র্নিমাণ করে। যে গুলো আমার বোধগম্য হয়নি। একটি কথা

বলেছেন ‘‘জমি বুঝে নেওয়ার সময় আমার কি একটু প্রয়োজন মনে করেনি? আর

একটি কথা বলেছেন আজ কাল অনেকে জমি বিক্রি করে, তবে যে বিক্রি করে তাকে

খুজে পাওয়া কাজ করার এক পর্যায়ে বিবাদী পক্ষ আবুজর আমার রাজমিস্ত্রীদেরকে

বাসা হতে বের হওয়ার পথে বাধা দেয়। আমি ঢাকা থাকায় বিষয়টি জানার জন্য

আহাম্মদপুর স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক মোঃ কামাল হোসেন কে জোসনা বেগমের

নিকট পাঠালে তিনি তাকে বলে, আমি বজলুর রহমানের নিকট জমি বিক্রি করে

টাকা নিয়েছি এবং জমি বুঝিয়ে দিয়েছি, কিন্তু এখন আমার বেয়াই আমাকে বিভিন্ন

ভাবে চাপ দিচ্ছে কাজে বাধা দেওয়ার জন্য, তাই বাধ্য হয়ে কাজে বাধা দিয়েছি।

আপনি তাকে বলবেন আমার বেয়াইয়ের সাথে দেখা করতে।

অতঃপর গত ২০/৫/১৬ ইং তারিখে বজলুর রহমান-আবুজর ও জোসনা বেগমকে

সঙ্গে নিয়ে চরফ্যাশনে গিয়ে তাঁর সাথে দেখা করে। তখন তিনি বিষয়টি পুরোপুরি

অস্বীকার করেন।

বজলুর রহমানের ভাষ্যমতে তিনি বজলুর রহমানকে কয়েকটি কথা বলেছেন যা তার

বোধগম্য হয়নি। একটি কথা বলেছেন ‘‘জমি বুঝে নেওয়ার সময় আমার কি একটু

প্রয়োজন মনে করেনি? আর একটি কথা বলেছেন আজ কাল অনেকে জমি বিক্রি

করে, তবে যে বিক্রি করে তাকে খুজে পাওয়া যায়না। আর যিনি ক্রয় করেন তিনি

জমিতে পুড়ে মরে থাকে”। আমাদের কথার এক পর্যায়ে আমিন ডাক্টার সাহেব এসে

তাদের সাথে বসেন, তখন সুমনের শশুর প্রসঙ্গ পরিবর্তন করে বজলুর রহমানকে

বলেন, এখন আপনারা মিলে মিশে যে ভাবে ভালো ভাবে চলতে পারেন সে ভাবে

কাজ করেন। আর তিনি জোসনা বেগমকে এ কাথাও বলেন যে আপনেরা তো তাকে

ঠকিয়েছেন রাস্তার পাশের জমি বিক্রি করে ভিতর থেকে জমি দিয়েছেন।

অতঃপর বজলুর রহমানকে বলেন আমি বিষয়টি নিয়ে দ্বিধা দন্ধে পড়ে যাই বুঝতে

পারিনা কে সত্য আর কে মিথ্যা।

সুমনের শশুর যে কাজে বাধা দেওয়ার জন্য তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে এ কথা

তারা শুধু বজলুর রহমানকে আর কামাল হোসেনকেই বলেনি তারা আমিন আমিন

ডাক্টার, আব্দুল বারী সহ আরও অনেকের কাছে বলেছে।

পরবর্তীতে গত ১৪/০৯/২০১৬ ইং তারিখে বজলুর রহমান -জোসনা বেগম ও

আবুজরের সাথে ৩ শতাংশের দলিলের ব্যাপারে কথা বললে তারা নানান তাল বাহানা

শুরু করে।

অতপর বজলুর রহমানের স্ত্রী রান্না করার জন্য বাহিরে চুলা বাসাতে গেলে সুমন বাধা

দেয়। বাহিরে থালা বাসন ধোয়ার সময় রাস্তা ও স্কুল থেকে দেখা যায় বিধায়

প্লাষ্টিকের বস্তা দ্বারা বজলুর রহমানের বাসার সামনে আড়াল দিলে জোসনা বেগম ও

তার ছেলে সুমন কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলে।

পুনরায় বজলুর রহমান ১০/১২/২০১৬ তারিখে বাড়িতে গিয়ে বাসার ওয়াল ঘেষে

প্লাষ্টিকের বস্তা কেটে পর্দা দিয়ে দিলে জোসনা বেগম তাকে অকর্থ্য ভাষায় গালি

গালাজ করে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। পরবর্তীতে তার স্বামী এসে সব পর্দা

খুলে ফেলে এবং বজলুর রহমানকে বলে – আমাগো ক্ষমতা আছে আমরা মানব

আধিকার লঙ্গন করছি আরও করমু তোর ক্ষমতা থাকলে কিছু করিছ। এব্যাপারে

এলাকার অনেকের কাছথেকে প্রমান মিলেছে এবং চরফ্যাশন মহিলা কলেজের শিক্ষক

মনিরুদ্দিন চাষী সাহেব ও বিষয়টি অবগত আছেন। এবং তিনি নিজে বিষয়টি দেখে

গেছেন বলে আমরা প্রমান পেয়েছি।

অতঃপর ১৮ ডিসেম্বর বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য বসা হয়। দু’পক্ষের কথা শুনে

সরজমিনে গিয়ে বজলুর রহমানের বাসার ছাদ বরাবর উত্তর সীমানা ধরে দক্ষিন

দিকের কুয়া ও পশ্চিমে চলার পথসহ মোট ১২.৪৩ শতাংশ জমি হয়।সালিশ গনের

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বজলুর রহমানের সেপটি টেংক জোসনা বেগমের মধ্যে ধরে দেওয়া

হয় এবং এর খরচের ব্যাপাওর এবং বাকী জমির বর্তমানে কত দাম আছে, তারা

বজলুর রহমানের কাছ থেকে যে টাকা নিয়েছে এবং আর টাকা পাবে কিনা সে সমস্ত

বিষয় বিবেচনা করে ২৫/১২/২০১৬ ইং তারিখে সিদ্ধান্ত দেওয়ার দিন ধার্য করা হয়।

কিন্তু ঐ দিনে সালিশদের এক জন হটাৎ অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।

এখানে উল্লেখ্য যে পূর্বে যাদেরকে নিয়ে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদেরকে কোন

কিছু জিজ্ঞাসা করা হয়নি।তাদের কোন মতামত নেয়নি।

বিষয়টি অমিমাংশিত থাকা অবস্থাতই জোসনা বেগম ও তারছেলে সুমন বজলুর

রহমানের জমি হতে গাছ কেটে নেয় এবং তার বাসা হতে বের হওয়ার পথে বিঘ্ন

সৃষ্টি করছে এবং তার চলার পথ কেটে অনেক টাকার বালি নষ্ট করে ফেলেছে।

গত ১৯/০১/২০১৭ তারিখে জোসনা বেগমের ছেলে আবুজর লাকরি নিয়ে বজলুর

রহমানের ৩ বছরের মেয়েকে মারতে যায় তখন তার চিৎকারে বজলুর রহমানের স্ত্রী

দৌড়ে আসলে তাকেও অকর্থ্য ভাষায় গালি গালাজ করে এবং লাকরি নিয়ে তার দিকে

তেরে যায়। তখন বজলুর রহমানের স্ত্রী বাসার মধ্যে ডুকে যায় এবং জোসনা

বেগমকে বিষয়টি জানায়, সে তার ছেলেকে কিছু না বলে বাসায় থেকে অট্রহাসি হাসে

বলে বজলুর রহমানের স্ত্রী অভিযোগ করেছে।

বজলুর রহমান বিষয়টি আহাম্মদপুর আওয়ামীলীগের সভাপতিকে জানিয়েছে এবং তার

মাধ্যমে মোল্লা আবুল কালাম আজাদ সাহেব সহ নুরাবাদের সাবেক সেক্রেটারী আবুল

বাসার চাপরাশি, মোঃ মুরাদ মেম্বার, আমিন ডাক্তার, আহাম্মদপুর স্কুল এন্ড কলেজের

শিক্ষক মো কামাল হোসেন, মো.জামাল মহাজন, মো.বশির হাওলাদার, মো.ফুয়াদ

চাপরাশি সহ স্থানীয় অরও অন্যান্য ব্যাক্তিদেরকে জানিয়েছে। কয়েক জন স্বরজমিনে

গিয়ে দেখেছেন।

পুনরায় আবুজর ও জোসনা বেগম ৬/২/১৭ তারিখে বজলুর রহমানের ক্রয় করা

জমিতে লোক জন নিয়ে মাটি কেটে নেয়। এবং ৬/৪/২০১৭ তারিখে বজলুর

রহমানের বাসায় বিদ্যুতের মিটারের র্বোড বাসাতে গেলে জোসনা বেগম ও আবুজর

উক্ত ব্যাক্তিকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে এবং কাজে বাধাদেয়। ৯/৪/২০১৭

ইং তারিখে জোসনা বেগম ও আবুজর সুমন বজলুর রহমানের ক্রয় করা জমিতে টিন

দিয়ে দেওয়াল দিয়ে পথ বন্ধ করে দেয়।

বজলুর রহমান এবিষয় গুলো আহাম্মদপুর আওয়ামীলীগের সভাপতির মাধ্যমে এবং

আবুল বাশার চাপরাশির মাধ্যমে বার বার সুমনের শশুর মোল্লা আবুল কালাম

আজাদকে জানানোর পরও তিনি তার মেয়ের জামাইকে কিছু নাবলাতে একের পর

এক অপরাধ করতে তাকে উৎসাহিত করা হয়েছে।

তিনি এখনও স্থানীয়দের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন। তারা এব্যাপারে সমাধান দিতে

ব্যার্থ হলে তিনি মাননীয় উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আলইসলাম জ্যাকব সাহেবের কাছে যাবেন

বলে জানিয়েছেন।

আমরা আমাদের বার্তা প্রবাহের পক্ষথেকে এ ব্যাপারে স্থানীয় অনেকের সাথে যোগাযোগ

করেছি এবং এর সততা পেয়েছি যা আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে।

আপডেট নিউজ পেতে পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন

Top