আজ : সোমবার, ২৬শে জুন, ২০১৭ ইং | ১২ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

শাবিপ্রবিতে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে কুবিসাসের মানববন্ধন

সময় : ৮:১৫ অপরাহ্ণ , তারিখ : ১০ এপ্রিল, ২০১৭


কুবি প্রতিনিধি:এক তরুণীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের

সহ-সভাপতি সৈয়দ নাবিউল আহমদ দিপু ও সাধারণ সম্পাদক সরদার আব্বাস আলীর উপর ছাত্রলীগের

সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে কুমিল্লা

বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (কুবিসাস)। সোমবার দুপরে বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মূল

ফটকের সামনের এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: মতিউর রহমানের উপস্থাপনায় বক্তব্য

রাখেন সাংবাদিক সমিতির সদস্য নাজমুল সবুজ, সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাদাত

বিপ্লব, তথ্য ও পাঠাগার সম্পাদক তানভীর সাবিক, দপ্তর সম্পাদক মাহফুজ কিশোর, অর্থ সম্পাদক

মো: জাহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম জোবায়ের, সায়েন্স ক্লাবের মাসুদ

পারভেজ সবুজ, অনুপ্রাস কন্ঠ চর্চা কেন্দ্রের আানোয়ারুল ইসলাম পলাশ। এসময় সাংবাদিক

সমিতির অন্যান্য সদস্য এবং সহযোগী সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনের বক্তরা বলেন, ‘দেশে সাংবাদিকরা ধারাবাহিকভাবে লাঞ্ছিত হচ্ছেন। শাহজালাল

বিশ্ববিদ্যালয়ে তরুণীকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় সাংবাদিক নেতাদের উপর ছাত্রলীগের যে

সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে তার বিচার অবশ্যই করতে হবে।’

সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মুহাম্মাদ শফিউল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, ‘বিচারহীনতার

সংষ্কৃতির জন্য এমন হামলার শিকার হচ্ছেন সাংবাদিকরা। অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে

শাস্তির আওতায় আনা হোক।’

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল শাহজালার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসা এক

তরুণীকে কতিপয় ছাত্রলীগ কর্মী উত্যক্ত করায় প্রতিবাদ করেন দিপু ও আব্বাস। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে

তাদের উপর হামলা চালায় কতিপয় দুষ্কৃতিকারী ছাত্রলীগ কর্মীরা।

এছাড়াও মানববন্ধনের একাত্মতা পোষণ করে কুমিল্লা ইউনির্ভাসিটি ডিবেটিং

সোসাইটি, থিয়েটার কুমিল্লা বিশ^বিদ্যালয়, অনুপ্রাস কন্ঠ চর্চা কেন্দ্র, সেচ্ছায়

রক্তদাতাদের সংগঠন বন্ধুসহ বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংষ্কৃতিক সংগঠনগুলো।

এদিকে গত বছরের মে মাসে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের ও তৎকালীন

সভাপতি রাসেল মাহমুদকে লাঞ্ছিত করেন সেকশন অফিসার জাকির হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী

মোঃ আব্দুল লতিফ এবং কম্পিউটার অপারেটর মনিরুজ্জামান তুষার। লাঞ্ছনায় অভিযুক্ত কর্মকতাদের

বিরুদ্ধে বিচারের দাবি জানালেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দোষীদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ

গ্রহণ করেনি বলেও উল্লেখ করেন বক্তারা।

Top