আজ : বৃহস্পতিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০১৭ ইং | ২রা ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

সাক্ষী দিতে না আসায় মামলার ভিকটিমের দুইদিন হাজতবাস

সময় : ৮:০৮ অপরাহ্ণ , তারিখ : ১৩ আগস্ট, ২০১৭


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাক্ষী দিতে না আসায় দুইদিন হাজতবাস শেষে নির্ধারিত তারিখে সাক্ষী দেয়ার শর্তে মুক্তি পেয়েছে মামলার ভিকটিম।শুক্র ও শনিবার হাজতবাসের পর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে রোববার বরিশালের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রট গোলাম ফারুক বিচারাধীন আদালত তাকে মুক্তি দেন।আদালত সূত্র জানায়,হাজতবাসের পর মুক্তি পাওয়া ভিকটিমের নাম হাবিব শরীফ।বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার বড় ভৈৎসর গ্রামে। তাকেসহ কয়েকজনকে মারধর করে গুরুতর জখম বানিয়ে ৭৮ হাজার টাকার স্বর্নালংকার চুরি করে নেয়ার অভিযোগে ২০১০ সালের ৫ জানুয়ারী বানারীপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন তার ভাই জামাল শরীফ।মামলায় ৩১ ডিসেম্বর ঘটনার উল্লেখ করে একই এলাকার ইউনুস বেপারীসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত দেখানো হয়।থানা পুলিশ তদন্ত শেষে অভিযোগের কিছু বিষয় সত্যতা পায়।থানার এস আই নজরুল ইসলাম একইসালের ১৮ ফেব্রুয়ারী ৬ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ জানিয়ে ৮ জনের বিরুদ্ধে ১৪৩,৩২৩,৩২৬ ধারায় চার্জশিট দাখিল করেন।চার্জশিটে মামলার ভিকটিম হাবিবসহ ১২ জনকে সাক্ষী করা হয়।সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একই সালের ২৬ মে চার্জশীট গ্রহন করে ১৩ মে বিচারের জন্য মামলাটি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠিয়ে দেন।ওই আদালত ২০ জুলাই চার্জগঠন করে সাক্ষী তলব করেন।৭ নভেম্বর সাক্ষীদের বিরুদ্ধে সমন ইস্যু করেন।সমন জারির পরে কয়েক তারিখ অতিবাহিত হলেও কোন সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয়নি।এতে মামলার বিচার কার্যক্রম ধীরগতি দেখে আদালত ২০১১ সালের ৬ জুন সাক্ষীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন।এতেও কোন সাক্ষী সাড়া দেননি।৬ বছর ধরে সাক্ষীদের প্রতি গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি থাকলেও কোন সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না করায় বানারীপাড়া থানা পুলিশকে তাগিদ দেয় আদালত।থানাপুলিশ গত শুক্রবার গ্রেপ্তারী পরোয়ানা মুলে সাক্ষী হাবিবকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাকে হাজতে পাঠিয়ে দেন।আগামী ২০ আগস্ট ধার্য তারিখে সাক্ষী দেয়ার অংগীকার করে রোববার রাষ্ট্রপক্ষ তাকে নিজ হেফাজতে নেয়ার আবেদন জানায়।আদালত আবেদন মঞ্জুর করে সাক্ষী দেয়ার শর্তে তাকে মুক্তি দেন।

Top