১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং, রবিবার

ইভিএম কারচুপি করেই ক্ষমতায় মোদি! বিস্ফোরক তথ্য!

আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

ইভিএম কারচুপি করেই ক্ষমতায় মোদি ভারতের ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে গোপন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইভিএমে কারচুপি করা হয়েছিল। ইভিএমে ‘হ্যাক’ করে বদলে দেওয়া হয়েছিল নির্বাচনের ফলাফল। চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন মার্কিন সাইবার বিশেষজ্ঞ সৈয়দ সুজা।

ইভিএম দুর্নীতি নিয়ে এর আগেও বিরোধীদের তরফে উঠেছে নানান অভিযোগ। গত শনিবার কলকাতায় ব্রিগেড সমাবেশেও জোর গলায় ইভিএম ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লাহ। ইভিএমকে ‘চোর মেশিন’ বলেও ব্রিগেড সমাবেশে আওয়াজ তুলেছিলেন ফারুক।

কী ভাবে এতটা দৃঢ়তার সঙ্গে এই দাবি করছেন সুজা? কারণ, হাতের তালুর মতোই এই ভোটিং মেশিন তার চেনা। ভারতে ব্যবহৃত ভোটিং মেশিনের নকশা যারা করেছেন, সেই দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন মার্কিন এই সাইবার বিশেষজ্ঞ।

২০১৪ সালের ২৬ মে মোদি সরকারের পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন গোপীনাথ মুন্ডে। এক সপ্তাহ পরেই, ৩ জুন নয়া দিল্লির কাছে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তার। সৈয়দ সুজার দাবি, ‘‘এটি দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত খুন। ইভিএমে কারচুপির ঘটনা ‘ফাঁস’ করার কথা ভাবছিলেন গোপীনাথ। সেই কারণেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাকে।’’

শুধু গোপীনাথ মুন্ডে নয়, সৈয়দ সুজার কাছ থেকে ইভিএম দুর্নীতির বিষয়টি জেনেছিলেন সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ। তিনিও বিষয়টি ফাঁস করে দেওয়ার কথা ভাবছিলেন। সেই রিপোর্ট প্রকাশের আগেই অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীর গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিল তার দেহ। এই হত্যাও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন এই মার্কিন সাইবার বিশেষজ্ঞ।

শুধু ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনই নয়, ইভিএমে কারচুপি করা হয়েছিল উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাত বিধানসভার নির্বাচনেও। লন্ডন থেকে সরাসরি লাইভ সম্প্রচারে সাংবাদিক বৈঠক করে এই দাবি করেন সৈয়দ সুজা। নিম্ন কম্পাঙ্কের তরঙ্গের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে কারচুপি করতে বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) সেলকে সাহায্য করেছিল রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস। ইভিএমে কারচুপি করা যায় কি না তা জানতে চেয়ে আম আদমি পার্টি, সমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজ পার্টির তরফে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন সুজা।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন