১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং, রবিবার

নতুন ফরম্যাটে বিএনপির নতুন দল

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃত্ব পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিএনপি। পর্যায়ক্রমে সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে নতুন ফরম্যাটে আনতে চাইছে দলটি।

এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম ও রোববার রাতে চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ভাবে কৃষিবিদদের ও প্রকৌশলীদের সংগঠনের নতুন কমিটি ঘোষণা হবে। পর্যায়ক্রমে স্বল্প সময়ের মধ্যেই অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোরও নতুন কমিটি গঠন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

জানা যায়, ২১ বছর আগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই চলছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল।

জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ১৬ মে সংগঠনটির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল হয়। দলটির ঘোষণাপত্র এবং গঠনতন্ত্রের ৯ নম্বর ধারায় উল্লেখ আছে, ‘জাতীয় কাউন্সিল হবে সংগঠনের সর্বোচ্চ সংস্থা। ২ বছরে একবার জাতীয় কাউন্সিল বা জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান ও শামসুজ্জামান দুদুকে শীর্ষ পদে রেখেই কৃষকদলের নতুন কমিটি গঠনের আলোচনা চলছিল। এখন দু’জনই বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিএনপিতে এক নেতার এক পদ নীতি বাস্তবায়ন শুরু হয়।

কৃষকদলের নেতৃত্বে আসার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বিএনপি ও কৃষকদলের বেশ কয়েকজন নেতা। এদের মধ্যে শীর্ষ পদের জন্য ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো: আবদুস সালাম, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, সহ প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, বিএনপি নেতা শামীমুর রহমান শামীম,

মাহমুদুর রহমান সুমন, কৃষকদলের নেতা এ কে এম মোয়াজ্জেম হোসেন, নূর আফরোজ জ্যোতি, মো: শাহজাহান মিয়া সম্রাট, তকদির হোসেন জসিম, মো: মাইনুল ইসলামসহ কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে। কৃষকদলের বর্তমান কমিটির অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসতে পারেন বলে জানা যায়।

কৃষকদলের কার্যক্রম সম্পর্কে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, অনেক দিন হয়েছে কৃষকদলের কোনো কাউন্সিল হয়নি। আমরা এ ব্যাপারে কাজ করছি। আমরা তৃণমূল থেকে কমিটি পুনর্গঠনের কাজ শুরু করব। ইউনিয়ন, থানা বা উপজেলা ও জেলা কমিটি শেষ করে কেন্দ্রীয়ভাবে কৃষকদলের জাতীয় সম্মেলন হবে।

এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। দলের ভেতরের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা চলছে। যদি সরকারের কোনো রোষানলে না পড়ি তাহলে তিন মাসের মধ্যেই কৃষকদলের কাউন্সিল সম্পন্ন করতে পারবেন বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। সূত্র: নয়াদিগন্ত।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন