২৬শে মার্চ, ২০১৯ ইং, মঙ্গলবার

আজকা আমার ছোট মাইয়ারে দেবর কি সর্বনাশ করল !

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৯

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন

ভদ্রমহিলা যখন তার এবিউজের শিকার হওয়া চার বছরের মেয়েটিকে জড়িয়ে ধরে উঠোনে বসে বিলাপ করছিলেন তখন এবিউজকারি দেবর

মেয়েটির মা একবার চিৎকার করে কাঁদছেন, পরক্ষনেই আবার চুপচাপ মেয়েটিকে বুকে আগলে কি যেনো এক চিন্তায় ডুবে হারিয়ে যাচ্ছিলেন অন্য কোথাও।

বাচ্চা পছন্দ করি সেই সুবাদে এবিউজের শিকার হওয়া মেয়েটির খেলার সাথী ছিলাম আমি। দুধে আলতা গায়ের রঙ মেয়েটির, মাথার চুল ব্রাউন কালার। গরীবের ঘরে এতো সুন্দর মেয়ে খুব একটা নজরে আসেনি আমার। ওর যে বড় বোন পঞ্চম শ্রেণীতে পড়তো সেও ছিল বেশ সুন্দর, আদুরে৷

বিলাপের এক পর্যায়ে ভদ্রমহিলা বলছিলেন, “আমার বড় মাইয়ারেও ছাড়ে নাই শু**বাচ্চা, আমারে সবাই কইছে আমি মিছা কতা কইছি, দেবররে লগে রাখতে চাই না, খাওয়াইতে চাইনা দেইখা মাইয়া দিয়া বদনান উঠাইছি। আজকা আমার ছোট মাইয়ারে কি সর্বনাশ কইরা দিলো। আমি ওইদিন ক্যান ঘরেত্তে বাইর কইরা দিলাম না?”

আসলে সেসময় আমি এবিউজ শব্দটার সাথে পরিচিত ছিলাম না। অবশ্য তারাও কেউ এই শব্দ ব্যবহার করেনি। সবাই শুধু বলছিল, “মেয়েটার সর্বনাশ করছে”। এও বলছিল, “চাচায় এই কাম করতে পারে, কও? ভাতিজিতো মাইয়ার মতোই। কি খারাপ পোলা। ওরে বিয়া করাও না ক্যা তোমরা? যা করার বউয়ের লগেই করতো।

দেবরের কামাই খাইতে বিয়া দেওনা, এইবার মাইয়ারে দিয়া লোভের খেসারত দিলা।”

আমি অবাক হয়ে শুনছিলাম সব। বড় মেয়ের মতো ছোট মেয়ের বেলাতেও ভদ্রমহিলাকেই দোষারোপ করা হচ্ছে! ওদিকে চাচা লোকটা অস্বীকার করছে তার উপর আসা অভিযোগ নিয়ে।

ওড়না এগিয়ে দিয়ে বললেন, “যা..মর, নাহলে আমিই তোকে মারবো।” বাড়িওয়ালা পুলিশ কল করলেন। ধরে নিয়ে গেলো শয়তানটাকে।

  • ফেইসবুক শেয়ার করুন