আজ : মঙ্গলবার, ১৪ই আগস্ট, ২০১৮ ইং | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

যশোরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনবসতির মধ্যে ফসলি জমি দখল করে ইট ভাটা নির্মাণ


অমারেশ কুমার বিশ্বাস,জেলা প্রতিনিধি যশোর: পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়ায় যশোরের মণিরামপুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ঘনবসতিপূর্ন এলাকায় আবাদী জমি দখল করে ইটভাটা নির্মানের অভিযোগ উঠেছে। ইটভাটাটি নির্মান করা হলে একদিকে যেমন নির্মল পরিবেশকে ব্যাহত করবে, অন্যদিকে ওই এলাকার ফসলী জমি নষ্ট হয়ে গরিব ও অসহায় কৃষকরা বিপাকে পড়বে।
রবিবার সন্ধ্যায় ইটভাটা নির্মান বন্ধের দাবী জানিয়ে কৃষকদের পক্ষ থেকে স্থানীয় মণিরামপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে কৃষকদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কৃষক বিল্াল হোসেন। লিখিত বক্তব্যে বিল¬াল হোসেন বলেন, উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামের মহিদুল ইসলাম নামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়ায় আমার চালুয়াহাটি গ্রাম ও পাশ্ববর্তী ত্রিপুরাপুর গ্রামের অর্ন্তগত ১৯০ ও ২০৩ নং মৌজার অন্তঃ অর্ধশতাধিক ব্যক্তির ৩ ফসলী জমি দখল করে ইট ভাটা নির্মানের কার্যক্রম শুরু করেছে। কিন্তু ওই ইটভাটা সংলগ্ন আমাদের গ্রামসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামের গরিব প্রান্তিক কৃষকদের ৩ ফসলী জমি আছে। উক্ত ভাটাটি নির্মান করলে ওই জমিতে আমরা আর ফসল চাষাবাদ করতে পারবো না। ফলে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহায় হয়ে পড়বো। আমরা কৃষকরা জমি দিতে না চাইলেও বিভিন্নভাবে হয়রানি সহ ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, যে স্থানটিতে ইট ভাটা নির্মাণের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে তার চারপাশে অন্তত শতাধিক বসতবাড়ি, একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রভাবশালী ওই ব্যক্তি ভাটা কার্যক্রম শুরু করলে আমাদের এলাকা ছেড়ে অন্যত্রে চলে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।
এ বিষয়ে ইতোমধ্যে অত্র এলাকায় গরিব ও অসহায় প্রান্তিক কৃষকদের পক্ষ থেকে ইটভাটা নির্মান বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসক, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশি¬ষ্ট দপ্তরে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে।

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ...
Top