মধ্যরাত থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ২০ লাখের বেশি সিম

একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৫টির বেশি নিবন্ধিত থাকা সিম বন্ধ করে দিতে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর প্রতি আগে থেকেই নির্দেশনা ছিল টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (বিটিআরসি)। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ২০ লাখ ৪৯ হাজার ৯২৭টি সিম। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে পাঁচটি অপারেটরের ২০ লাখ ৪৯ হাজার সিম বন্ধ করে দেওয়া হবে। একজনের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অসংখ্য সিম কেনার ফলে অপরাধ প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। সেটা থেকে রক্ষা পেতে অতিরিক্ত সিম বন্ধ করা হচ্ছে। বিটিআরসি আরো জানিয়েছে, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের পর সব গ্রাহকের তথ্য বিটিআরসি’র কাছে রয়েছে। কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডারের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, একজনের এনআইডি দিয়ে কতটি সিম চালু করা হয়েছে। বিটিআরসি জানায়, অতিরিক্ত সিমের মধ্যে গ্রামীণফোনের চার লাখ ৬১ হাজার, বাংলালিংকের চার লাখ ৫৫ হাজার, রবি’র চার লাখ ১৯ হাজার এবং টেলিটকের চার লাখ ৮৭ হাজার সিম বন্ধ করা হবে। বিটিআরসি সর্বশেষ ব্যক্তি পর্যায়ে সিমের সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্ধারণ করে দিয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজন গ্রাহকের প্রি-পেইড, পোস্ট পেইড মোবাইল অপারেটর নির্বিশেষে সিম বা রিমের সর্বমোট সংখ্যা ১৫ নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে এই সীমার বাইরে কোনো গ্রাহক সিম নিবন্ধন করতে পারবেন না। একজনের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অসংখ্য সিম কেনার ফলে অপরাধ প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। সেটা থেকে রক্ষা পেতে অতিরিক্ত সিম বন্ধ করা হচ্ছে। বিটিআরসি আরো জানিয়েছে, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের পর সব গ্রাহকের তথ্য বিটিআরসি’র কাছে রয়েছে। কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডারের মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, একজনের এনআইডি দিয়ে কতটি সিম চালু করা হয়েছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*