আজ : রবিবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বিডিআর বিদ্রোহে যারা টিগার চেপে সেনা হত্যাযজ্ঞে অংশ নিয়েছিলেন বিচার করবে বিএনপি


বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) বিদ্রোহে যারা টিগার চেপে সেনা হত্যাযজ্ঞে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের বিচার করছে সরকার। কিন্তু, ঘটনার নেপথ্যের কুশীলবদের বিচারের আওতায় আনা হয়নি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তাদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।

রোববার সকালে বনানী কবরস্থানে বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা সদস্যদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বিডিআর হত্যাযজ্ঞ বাংলার ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ। চক্রান্তকারীরা সামরিক বাহিনীকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।’

এখনও নির্মম হত্যাকাণ্ডের এই বিচারকাজে সঠিক তথ্য উদঘাটন না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান আরও বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার করবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে দিনটিকে স্মরণের ব্যবস্থা করবে।’

এ সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘বিডিআর বিদ্রোহের বিচারকাজ সরকার এখনও শেষ করতে পারেনি। নেপথ্যে কারা ছিল, তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে পারেনি।’

বিডিআর বিদ্রোহের পর থেকে বাংলাদেশ হুমকির মুখে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা ছিল, তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। আর দিনটিকে সেনা দিবস হিসেবে সরকারিভাবে পালনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মেজর হাফিজ অভিযোগ করেন, ‘ঘটনার পরপরই সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে লে. জেনারেল জাহাঙ্গীর আলমকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। দীর্ঘ ৯ বছরেও তাদের তদন্তের কোনো ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি।’

তিনি এই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দ্রুত জনসন্মুখে প্রকাশের দাবি জানান। একই সঙ্গে ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা সুবিধা বঞ্চিত হয়ে থাকলে, রাষ্ট্রকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান বিএনপির এই নেতা।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা মেজর জেনারেল (অব.) আলতাফ হোসেন, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে আকবর, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী, লে. কর্নেল (অব.) সমীরণ দেওয়ান, লে. কর্নেল (অব.) শাহজাহান, মেজর (অব.) হানিফ, মেজর (অব.) ব্যারিস্টার সারোয়ার, বিএনপি চেয়ারপারসনে মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রমুখ।

Top