আজ : সোমবার, ১৮ই জুন, ২০১৮ ইং | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বেতাগীতে উচ্ছেদ অভিযানে কর্মহীন হয়ে পড়েছে মানুষ


বেতাগীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে উদ্ধার হয়েছে সরকারের লাখ লাখ টাকার জমি। অন্য দিকে পথে বসেছে চা ও পানের দোকানিরা ।পুনর্বাসনের অভাবে তারা দিশে হারা হয়ে পড়েছে। দারিদ্র্য বিমোচনে পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব।

জানা গেছে, এ বছরের ২১ ফ্রেরুয়ারি শহরের টাউনব্রীজ সংলগ্ন (পুরানো হাসপাতাল চত্বর) এলাকার ক্ষুদ্র, মাঝারি দোকানপাটে অভিযান চালিয়ে উচ্ছেদ করা হয়েছে।

জেলা পরিষদের এ পদক্ষেপ প্রশংসিত হলেও উচ্ছেদ হওয়া মানুষের মধ্যে বিরাজ করছে ক্ষোভ ও হতাশা। এদের মধ্যে বেশির ভাগ লোকই শেষ সম্বল টুকু হারিয়ে নি:স্ব হয়ে পড়েছে।

বরগুনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মো: ফরিদুল ইসলাম জানায়, উন্নয়ন কাজের প্রয়োজনে ফুট পথে বসা ওইসব ব্যবসায়ীদের দখলে থাকা জমির উপর নির্মিত ঘর অপসারন করা হয়। কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পুনরায় লীজ দেওয়া হলে তাদের কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এ উচ্ছেদ অভিযানে পাল্টে গেছে চিত্র। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, শেষ সম্বল টুকু হারিয়ে তারা কর্মহীণ ও নি:স্ব হয়ে পড়েছে। জেলা পরিষদের ওই জমিতে অস্থায়ী ভাবে দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মোসা: রেহেনা বেগম, আব্দুর রব, মো: কাউসার, আ: বারেক, মো: শহীদুল ইসলাম, মো: কবির, ইউনুছ হাওলাদার, মো: রাজু, ফকির মো: মজনু, মো: মিন্টু, মো: বুলবুল খান, মাহেন্দ্র রায়, অমৃত দাস কর্মকার সহ প্রায় শতাধিক লোক ধার দেনা ও ঋন নিয়ে ঘর তুলে চা, পান, রিক্সা ও সাইকেল গ্রেজ সহ বিভিন্ন ধরনের দোকান দিয়ে তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ এবং বসত ঘর তুলে বসাবাস করে আসছিল। পানের দোকানদার শহীদুল ইসলাম জানান, আয়ের পথ বন্ধ হওয়ায় ছেলে-সন্তান নিয়ে এখন মহা বিপদে আছি।

চায়ের দোকানদার ফকির মো: মজনু অভিযোগ করেন, বছরের এই সময় কোথাও ভাড়াও পাইতেছি না।

চায়ের দোকানি আব্দুর রব বলেন,‘ দোহান ছাইরা দিয়া এ্যাহন কোন দিক পাইতেছিনা।’ রেহেনা বেগমের দাবি, ‘আমাগো একটা ব্যবস্থা কইরা দেন।’ স্থানীয়রাও জানিয়েছেন, উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি তাদের পুনবার্সন ও জরুরি হয়ে পড়েছে।

এই ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ...
Top