আজ : রবিবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

সরকারকে হটাতে দাউদ ইব্রাহিমের সাথে তারেক জিয়ার গোপন বৈঠক


লন্ডনের বিভিন্ন সূত্র উদ্ধৃত করে গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ বলেছে, তারেক বাংলাদেশে সক্রিয় একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন। তাদের জন্য অর্থায়নের ব্যবস্থা করছেন। কিন্তু বাংলাদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে, জঙ্গি সংগঠনগুলো কিছু করার সুযোগ পাচ্ছে না। ফলে, মরিয়া তারেক জিয়া দাউদ ইব্রাহিমের সহায়তা চেয়েছেন।’

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এই তথ্য দিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তরকে। ‘র’ এর গোপন বার্তায় বলা হয়েছে, ‘বেগম জিয়া গ্রেপ্তার হবার পর তারেক জিয়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন ৮ ফেব্রুয়ারি। তারেক জিয়া আশা করেছিলেন, তাঁর মাকে গ্রেপ্তার করার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় লাখ লাখ মানুষ নেমে পড়বে। কিন্তু বাস্তবে তেমনটি হয়নি।’ ওই বার্তায় বলা হয়েছে, ‘বিএনপির নেতারা আন্দোলনের চেয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সংকট নিরসনে বেশি আগ্রহী। বিএনপির অধিকাংশ সম্ভাব্য প্রার্থী তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণাও শুরু করেছেন।’ তাঁদের বার্তায় এটাও বলা হয়েছে, ‘এখন সহিংস রাজনীতি করে শক্তি ক্ষয় করতে রাজি নয় বিএনপির কোনো নেতাই।’ এর ফলে দলের কর্তৃত্ব হারিয়েছেন তারেক।’ ভারতীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা মনে করছে, ‘ শান্তিপূর্ণ সমঝোতা হলে তারেকের দেশে ফেরা এবং বিভিন্ন মামলা থেকে রেহাই পাওয়া দুরূহ হয়ে পড়বে।’ ভারতীয় সংস্থার বার্তায় বলা হয়েছে, ‘তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মামলা চলমান রয়েছে। এই মামলার বিচার শেষ পর্যায়ে। এই বিচারে দোষী প্রমাণিত হলে, তারেক জিয়ার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে। তাই সরকার উৎখাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে এই ফেরারি।’

‘র’ এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তারেক জিয়ার দুই প্রতিনিধি গত সপ্তাহে দুবাইয়ে দাউদ ইব্রাহিমের এজেন্টের সঙ্গে দেখা করেছেন। দুই দফায় তাদের মধ্যে প্রায় তিনঘণ্টা বৈঠক হয়েছে।‘ `র’ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘তারেক জিয়ার সঙ্গে দাউদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। প্রায়ই তাঁদের কথা হয় এবং এজেন্টের মাধ্যমে যোগাযোগ হয়।’

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে দুবাইয়ে প্রথম তারেক-দাউদ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বৈঠকের খবর ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।

সুত্রঃ বাংলা ইনসাইডার

Top