আজ : সোমবার, ১১ই ডিসেম্বর ২০১৭ ইং | ২৭শে অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

অনেকেই শুভ’র জন্য প্রার্থনা করছে!


সকল নিউজ আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলামের ‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবিটির সাথে সম্পৃক্ততা শুরু থেকেই। অফিশিয়াল কাজে দেশের বাইরে থাকায় ছবিটি দেখতে পারেননি। তবে সম্প্রতি স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটি দেখে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে ছবিটির তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

তিনি স্ট্যাটাসে জানান, বিদেশ ভ্রমণের সময় একসাথে ১১টা ছবি দেখেছেন। বাংলা, হিন্দি, উর্দু, ইরানী, স্প্যানিশ ও ফরাসী ভাষার ছবি দেখেন নিয়মিত। নিজেকে ‘সিনেপোকা’ বলা মনিরুল ইসলাম লিখেন, ‘বাংলাদেশের অধিকাংশ ছবিই আমার দেখা হয়েছে। তবে হলে গিয়ে ছবি দেখা হয় না। কয়েকবছর আগে একটা হলে ঢুকলেও সিনেমা দেখা হয়নি। দীর্ঘ বিরতির পর সর্বশেষ হলে গিয়ে দেখা সিনেমার নাম ‘চন্দ্রকথা’। সম্ভবত মুক্তির পরেই তৎকালীন কর্মস্থল ঝিনাইদহের স্টেডিয়ামের পাশের সিনেমাহলে (নাম মনে নাই) সপরিবারে ছবিটা উপভোগ করেছিলাম। সেও তো ১৪/১৫ বছর আগের কথা।’
প্রিমিয়ারের সময় বিদেশে থাকায় দেশে ফেরার পর স্ত্রীসহ স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটি দেখতে যান। কিন্তু পথে জ্যামের কারণে পনের মিনিট দেরি হয়। তিনি লিখেন, ‘অন্ধকারের মধ্যে যতটুকু বোঝা গেলো হলভর্তি দর্শক। একটু পরেই বুঝলাম কাহিনীর সাথে দর্শক একাত্ম হয়ে গেছে।’
‘ঢাকা অ্যাটাক’-র প্রজেক্ট প্রধান হিসাবে কাহিনী তার আগে থেকেই জানা ছিল। শুটিংয়েও একাধিক দিন উপস্থিত থেকেছেন।
মনিরুল ইসলাম লিখেন, ‘শুটিং শেষে প্রথম এডিটিংয়ের পরে আমরা বসে সিনেমাটা দেখেছি। ফলে আমার অনেক কিছুই জানা। আমি বারবার আমার সামনে-পিছনে, আশেপাশের দর্শকদের প্রতিক্রয়া বোঝার চেষ্টা করছিলাম। মনে হলো দর্শক ছবিটা বেশ পছন্দ করেছে। টেনশনে ছিলাম স্ত্রীকে নিয়ে। তার প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে মনে হলো পছন্দ করেছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘বিরতির পরের অংশে দর্শক আরও বেশী একাত্ম, ভীষণ উচ্ছ্বসিত, উল্লসিত! শেষ দৃশ্যে অনেকেই শুভ’র জন্য প্রার্থনা করছে! শুভ’র সফলতায় হাততালি পড়ছে।’

Loading...

আরও পড়ুন...
Top