আজ : সোমবার, ১১ই ডিসেম্বর ২০১৭ ইং | ২৭শে অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

বিকৃত সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতা


সকল নিউজ আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা হতে শুরু করে মিডিয়া কিংবা সরকারি প্রচারণা সর্বত্র একটা জিনিস শেখানো হয় যে কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস এইসব বিষয় কেবলই মধ্যযুগ কিংবা তার পূর্ববর্তী সময়ে অধিক ছিল। এখন বিজ্ঞানের যুগ তাই সবকিছু বৈদ্যুতিক বাতির আলোয় পরিষ্কার দেখা যায়।

অতএব এখন সবাই জেনে বুঝে বিশ্বাস করে। আর কুসংস্কার তো কেবল গ্রামাঞ্চলে কিছু আছে। কেবল ধর্মান্ধ হুজুর নামক অন্য গ্রহের প্রাণিরাই এর চর্চা করে।
এইখানে প্রথম যে ভুলটা করা হয় তা হল, বিজ্ঞান কোনো আধুনিক জিনিস নয় যা কেবল এই সময়েই আকাশ হতে নাজিল হয়েছে। মূলত বিজ্ঞান হল, ‘পরীক্ষা নিরীক্ষা, পর্যবেক্ষণ ও পদ্ধতিগতভাবে লদ্ধ সুশৃঙ্খল জ্ঞান এবং এই জ্ঞান অর্জনের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি।’ সৃষ্টির শুরু হতেই এই পরীক্ষাগত জ্ঞান মানুষ ধীরে ধীরে অর্জন করা শিখেছে, সময়ের ব্যবধানে যার ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয়েছে।
তবে মহাবিশ্বের সিকিভাগ জ্ঞানও যে এখনও মানুষ নিজের মস্তিষ্কে ধারণ করতে পারেনি তা বলাই বাহুল্য। বরং এই বিজ্ঞানকেই এক নতুন কুসংস্কারের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা শুরু হয়েছে। ঘটনাটা এমন হয়ে গেছে যে কেহ যদি বলে জীন কিংবা ফেরেশতা আছে। তাকে কিছু লোক হেসে উড়িয়ে দেবে। কিন্তু যদি বলা হয় আমি একটি সায়েন্টিফিক ভুত দেখেছি তবে অনেকেই একে সত্যি ভেবে ভুতের রং রূপ জিজ্ঞাসা করা শুরু করবে। আবার বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পকাহিনী মানুষ অনেকটাই বিশ্বাস করে বসে। তাই অতিরিক্ত নাক, কান, লেজসমৃদ্ধ ‘এভাটার’ সিনেমার চরিত্রগুলো সবাই উত্তমরূপে গেলে। এখন তো হুজুরগণও বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে, ‘নূরানী কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে কোরআন শিক্ষা দেওয়া হয়’।

Loading...

আরও পড়ুন...
Top