আজ : সোমবার, ১১ই ডিসেম্বর ২০১৭ ইং | ২৭শে অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

তারেককে নিয়ে যত আপত্তি


সকল নিউজ আপডেট পেতে পেইজে লাইক দিন

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সম্প্রতি সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি টমাস এ শ্যানন। এছাড়া ঢাকায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) সম্মেলনে যোগ দেওয়া কানাডার প্রতিনিধি দল বেগম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। এর আগে গত মাসের শেষদিকে বেগম জিয়া দেশে ফেরার পরপরই বাংলাদেশ সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরণীন রাজনীতিতে বিদেশি কূটনীতিকরা বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছেন। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে কূটনীতিকদের শরনাপন্ন হলে বিষয়টি নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও দরকষাকষি করেন তারা। এর ফলাফলও পাওয়া যায় হাতেনাতেই। বর্তমানে অর্থনৈতিক উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে অভ্যন্তরীন বিষয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের প্রভাব কমলেও একদম নেই বলা যাবে না। বিষয়টি বিএনপিরও অজানা নয়। আর তাই কূটনীতিকদের কাছে সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং নির্বাচনে সহায়ক সরকারের অনুরোধ করছে তারা। তবে বিএনপির প্রস্তাব নিয়ে আলোচানার আগে কূটনীতিকরা আগ্রহী ভিন্ন বিষয়ে।

সম্প্রতি বেগম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও প্রতিনিধিদের কাছ থেকে একটি বিষয়ে আপত্তি অবধারিত ভাবেই এসেছে, তা হলো বিএনপিতে তারেক জিয়ার অবস্থান। দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার অবস্থানে আপত্তি কূটনীতিকদের।

তারেক জিয়া সংশ্লিষ্ট থাকলে বিএনপির প্রস্তাবগুলো নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী নয় কূটনীতিকরা। তাঁদের মতে, তারেক জিয়া কোনো রাজনীতিবিদ নন। মাফিয়া ডন বা সন্ত্রাসবাদের সংগঠন হিসেবে তারেককে মূল্যায়ন করেন কূটনীতিকরা। এমন ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা থাকা কোনো দলের জন্য সরকারের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী নয় তারা।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ভারত তারেকের ব্যাপারে চরম আপত্তি জানিয়েছে। অবশ্য ভারতের গোয়েন্দাদের কাছে তারেকের কুকীর্তির অনেক তথ্যই আছে বলে ধারণা করা হয়। তারেককে উপমহাদেশের নিরাপত্তার জন্যই হুমকি বলে মনে করে ভারত।

একাধিক কূটনীতিক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান বিএনপিতে নীতি নির্ধারণী সব সিদ্ধান্তই হচ্ছে লন্ডনে অবস্থানরত তারেকের মাধ্যমে। এখন বিএনপি কোনোভাবে ক্ষমতায় গেলে দলের অলিখিত নিয়ন্ত্রক তারেকই দেশে নিজের দখল কায়েম করবে। তারেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের মামলা ও বিচার বন্ধ হয়ে যাবে। ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হবে বাংলাদেশে। এমনটাই আশঙ্কা কূটনীতিকদের।

বাংলা ইনসাইডার

Loading...

আরও পড়ুন...
Top