আজ : মঙ্গলবার, ২২শে মে, ২০১৮ ইং | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

গ্রেপ্তার হতে পারেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা


রায়ের আগেই বড় ধরনের নাশকতা এবং জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে গোয়েন্দারা। এ কারণেই আজ থেকেই ঢাকা সহ সারাদেশে নিরাপত্তা সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। গ্রেপ্তার হতে পারেন বিএনপির একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা।

গোয়েন্দা সূত্রের খবর হলো, রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপি আগে থেকেই সহিংসতা ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে পারে। এছাড়াও কিছু জঙ্গিকে বিএনপি নাশকতা সৃষ্টির কাজে ব্যবহার করতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে গোয়েন্দারা। এজন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সারা দেশে বিএনপির কোন কোন নেতাকর্মী সন্ত্রাস ও সহিংসতা করছে তার একটি তালিকা তৈরি করেছে। রায়ের আগেই এইসব নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হবে। বিএনপিকে রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে কোনো সন্ত্রাস করতে দেওয়া হবে না।

গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, বিএনপির সঙ্গে বিভিন্ন জঙ্গি নেটওয়ার্কের যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে লন্ডনে পলাতক তারেক জিয়া পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। তারেক জিয়া এবং আইএসআইয়ের মাধ্যমে একাধিক জঙ্গি সংগঠন বড় ধরনের নাশকতার ঘটনা ঘটনা পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। এজন্য গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে শনিবার থেকেই। আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকরী বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন, রায়ের আগেই শীর্ষ পর্যায়ের অনেক বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

সরকারের একাধিক সূত্রগুলো বলছে, ‘১ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরু হচ্ছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালবাসা দিবস আর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এই তিনটি দিবসকে ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হবে। জঙ্গিরা উন্মুক্ত স্থানগুলোকে টার্গেট করতে পারে এমন তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে আছে। তবে, বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতা আন্দোলনের কথা স্বীকার করলেও জঙ্গি হামলা ও নাশকতার সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছেন। বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একজন নেতা বলেছেন, ‘সরকার জঙ্গি বিরোধী অভিযানকেও রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়।’ তাঁর মতে, ‘জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে যদি সরকার বিএনপিকে জড়ায় তাহলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ।’

তবে সরকারের একাধিক নেতা বলেছেন, ‘জনগণের জীবন ও নিরাপত্তা সবার আগে। আন্দোলনের নামে যারা জনগণের জানমালের ক্ষতি করতে চাইবে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।’ একাধিক সূত্র বলছে, আন্দোলন বা উস্কানি দিলেই শুধু মাঠ পর্যায়ের নেতা নয় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ যেমন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রহুল কবির রিজভী,গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, মির্জা আব্বাসের মত নেতৃবৃন্দকে গ্রেপ্তার করা হবে। রায়ের তারিখ ঘোষণার পরপরই বিএনপির অনেক নেতাই আত্মগোপনে গেছেন।

Top