আজ : সোমবার, ১৬ই জুলাই, ২০১৮ ইং | ১লা শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ফোরজিতে বাড়ছে প্রশ্নের পাহাড়


দেশের অনেক জায়গায় এখনো তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) ইন্টারনেট পরিসেবা চালু হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে দেশে ফোরজি ইন্টারনেট পরিসেবা চালুর পর তার কার্যক্রম নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন গ্রাহকসহ অনেকেই। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশের তিন মুঠোফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক ফোরজির লাইসেন্স পায়। পরের দিন একযোগে ৬৪ জেলায় ফোরজি সেবা চালুর ঘোষণা দেয় রবি। তাদের দাবি সেটি চার দশমিক পাঁচজি। একই দিন গ্রামীণফোনও ঢাকা ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় ফোরজি সেবা চালু করেছে। এদিকে বাংলালিংক ঢাকার কিছু এলাকাসহ খুলনায় চালু করেছে ফোরজি। কিন্তু তারপরও সেই সেবা এখনো গ্রাহকদের কাছে সোনার হরিণ।

তবে ফোরজি চালুর সময় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘ফোরজি সেবা চালু দেশের টেলিযোগাযোগ খাত এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতির জন্য একটি বড় মাইলফলক। বিটিআরসি এখন সেবার গুণগতমান নিশ্চিত করতে অনেক বেশি তৎপর। সেবা মানসম্পন্ন না হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, থ্রিজি সেবা চালু হওয়ার পর সেবার মান নিশ্চিত করা দূরে থাক, কলড্রপ বেড়ে যাওয়াসহ সার্বিকভাবে টেলিযোগাযোগের মান নিম্নগামী হয়েছিল। ফোরজির ক্ষেত্রেও একইভাবে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এখন ফোরজির জন্য উপযোগী স্মার্টফোনের সহজলভ্যতাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কেননা বর্তমান বাজারে ফোরজির ব্যবহার উপযোগী স্মার্ট হ্যান্ডসেট রয়েছে মাত্র ১৪ শতাংশ।

Top